ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / 276

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী আইয়ুব আলীকে (৫২) সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২২ জুন, ২০২৫) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আইয়ুব আলী ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামের মো. ইদ্রিস শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আইয়ুব আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ প্রহরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

যৌতুকের লোভে হত্যা ও মামলা দায়ের

এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত ফজরন বেগমের (৩০) বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পোয়াইল গ্রামে। বোন হত্যার দায়ে তার ভাই আইয়ুব শেখ ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে তার বোনকে স্বামীর বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামে যৌতুকের জন্য স্বামীর পরিবারের লোকজন মারধর করে হত্যা করে। এরপর ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কোনো সদস্যকে না দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

রাষ্ট্রপক্ষের সন্তুষ্টি ও দৃষ্টান্তমূলক রায়

এ বিষয়ে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, তারা রাষ্ট্রপক্ষ মামলার এই রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। সকল আলামত ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন। তিনি বলেন, এই মামলাটি যৌতুকলোভী মানুষের জন্য একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে, যারা যৌতুক না পেয়ে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করে।

ফরিদপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী আইয়ুব আলীকে (৫২) সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২২ জুন, ২০২৫) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আইয়ুব আলী ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামের মো. ইদ্রিস শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আইয়ুব আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ প্রহরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

যৌতুকের লোভে হত্যা ও মামলা দায়ের

এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত ফজরন বেগমের (৩০) বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পোয়াইল গ্রামে। বোন হত্যার দায়ে তার ভাই আইয়ুব শেখ ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে তার বোনকে স্বামীর বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলার শেখর গ্রামে যৌতুকের জন্য স্বামীর পরিবারের লোকজন মারধর করে হত্যা করে। এরপর ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কোনো সদস্যকে না দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

রাষ্ট্রপক্ষের সন্তুষ্টি ও দৃষ্টান্তমূলক রায়

এ বিষয়ে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, তারা রাষ্ট্রপক্ষ মামলার এই রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। সকল আলামত ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দেন। তিনি বলেন, এই মামলাটি যৌতুকলোভী মানুষের জন্য একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে, যারা যৌতুক না পেয়ে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করে।