ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন দাবিতে পদযাত্রা ও গণসমাবেশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 390

ফরিদপুর বিভাগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে শহরে এক বিশাল গণসমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাদের এই ‘প্রাণের দাবি’ দ্রুত মেনে নেওয়া না হলে তারা রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে এক গণসমাবেশে মিলিত হয়।

বক্তাদের বক্তব্য: দীর্ঘদিন দাবি ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ
গণসমাবেশে বক্তারা ফরিদপুর বিভাগ দ্রুত ঘোষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রাণের দাবি: বক্তারা বলেন, “ফরিদপুর বিভাগ কোনো ব্যক্তির দাবি নয়। এটি এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি। অথচ গণমানুষের এই দাবিকে দীর্ঘদিন যাবত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”

আন্দোলনের হুঁশিয়ারি: বক্তারা ঘোষণা দেন যে, যত দ্রুত সময়ের মধ্যে ফরিদপুর বিভাগ ঘোষণা করা না হবে, তত দ্রুতই রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

উপস্থিত ছিলেন যাঁরা
ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সমন্বয়ক আবরার নাদিম ইতুর সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, সাংবাদিক মফিজ ইমাম মিলন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরিয়া স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, বিজ্ঞ আইনজীবী মোঃ অ্যাডভোকেট রেজাউল হোসেন শামীম, কাজী রিয়াজ সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিভাগ বাস্তবায়নের সর্বশেষ পরিস্থিতি
প্রসঙ্গতঃ, ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে অনেকটা এগিয়েছে।

কমিশনের সুপারিশ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে পৃথক বিভাগ হিসেবে গঠনের সুপারিশ করে।

সচিব পর্যায়ের অনুমোদন: চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রি-নিকার সচিব পর্যায়ের বৈঠকে কুমিল্লা ও ফরিদপুর নামে দু’টি আলাদা প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা: বর্তমানে এটি নিকারের (জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটি) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এই অবস্থায়, চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে স্থানীয় জনগণ গণসমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদান সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।

ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন দাবিতে পদযাত্রা ও গণসমাবেশ

আপডেট সময় : ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

ফরিদপুর বিভাগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে শহরে এক বিশাল গণসমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাদের এই ‘প্রাণের দাবি’ দ্রুত মেনে নেওয়া না হলে তারা রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে এক গণসমাবেশে মিলিত হয়।

বক্তাদের বক্তব্য: দীর্ঘদিন দাবি ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ
গণসমাবেশে বক্তারা ফরিদপুর বিভাগ দ্রুত ঘোষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রাণের দাবি: বক্তারা বলেন, “ফরিদপুর বিভাগ কোনো ব্যক্তির দাবি নয়। এটি এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি। অথচ গণমানুষের এই দাবিকে দীর্ঘদিন যাবত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”

আন্দোলনের হুঁশিয়ারি: বক্তারা ঘোষণা দেন যে, যত দ্রুত সময়ের মধ্যে ফরিদপুর বিভাগ ঘোষণা করা না হবে, তত দ্রুতই রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

উপস্থিত ছিলেন যাঁরা
ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সমন্বয়ক আবরার নাদিম ইতুর সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, সাংবাদিক মফিজ ইমাম মিলন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরিয়া স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, বিজ্ঞ আইনজীবী মোঃ অ্যাডভোকেট রেজাউল হোসেন শামীম, কাজী রিয়াজ সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিভাগ বাস্তবায়নের সর্বশেষ পরিস্থিতি
প্রসঙ্গতঃ, ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে অনেকটা এগিয়েছে।

কমিশনের সুপারিশ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে পৃথক বিভাগ হিসেবে গঠনের সুপারিশ করে।

সচিব পর্যায়ের অনুমোদন: চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রি-নিকার সচিব পর্যায়ের বৈঠকে কুমিল্লা ও ফরিদপুর নামে দু’টি আলাদা প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা: বর্তমানে এটি নিকারের (জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত কমিটি) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এই অবস্থায়, চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে স্থানীয় জনগণ গণসমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদান সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।