ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর: সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 688

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রিপন মোল্যা (৩৫) নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রিপন মোল্যা সোনাপুর ইউনিয়নের রায়েরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়দের মতে তিনি নিয়মিত ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনকারী।

যেভাবে ঘটল ধর্ষণের ঘটনা

এই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। এ সময় গৃহবধূর স্বামী কাজের জন্য অন্য এলাকায় ছিলেন।

স্বামীর বর্ণনা: ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী জানান, তিনি পেটের তাগিদে শ্রমিকের কাজ করতে ৮ দিন ধরে বাড়ির বাইরে ছিলেন। ঘটনার রাতে তাঁর স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই সুযোগে রিপন মোল্যা সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।

রিপনের স্বীকারোক্তি: অভিযুক্ত রিপন মোল্যা বলেছেন, তিনি যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়ে চুরির উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে সিঁধ কেটে ঢুকেছিলেন। পরে নিজেকে সামাল দিতে না পেরে ঘটনাটি ঘটে গেছে।

আটক: ধর্ষণের বিষয়টি প্রথমে প্রতিবেশীরা টের পান। পরে বুধবার সকালে এলাকাবাসী রিপন মোল্যার বাড়িতে গিয়ে তাকে আটক করে এবং সালথা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে রিপনকে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশের পদক্ষেপ

সালথা থানার ওসি (তদন্ত) মো. মারুফ হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন নামে এক যুবককে গ্রামবাসী আটক করে। পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে থানা নিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।”

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী এই জঘন্য কাজের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

ফরিদপুর: সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রিপন মোল্যা (৩৫) নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রিপন মোল্যা সোনাপুর ইউনিয়নের রায়েরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়দের মতে তিনি নিয়মিত ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনকারী।

যেভাবে ঘটল ধর্ষণের ঘটনা

এই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। এ সময় গৃহবধূর স্বামী কাজের জন্য অন্য এলাকায় ছিলেন।

স্বামীর বর্ণনা: ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী জানান, তিনি পেটের তাগিদে শ্রমিকের কাজ করতে ৮ দিন ধরে বাড়ির বাইরে ছিলেন। ঘটনার রাতে তাঁর স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই সুযোগে রিপন মোল্যা সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।

রিপনের স্বীকারোক্তি: অভিযুক্ত রিপন মোল্যা বলেছেন, তিনি যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়ে চুরির উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে সিঁধ কেটে ঢুকেছিলেন। পরে নিজেকে সামাল দিতে না পেরে ঘটনাটি ঘটে গেছে।

আটক: ধর্ষণের বিষয়টি প্রথমে প্রতিবেশীরা টের পান। পরে বুধবার সকালে এলাকাবাসী রিপন মোল্যার বাড়িতে গিয়ে তাকে আটক করে এবং সালথা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে রিপনকে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশের পদক্ষেপ

সালথা থানার ওসি (তদন্ত) মো. মারুফ হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন নামে এক যুবককে গ্রামবাসী আটক করে। পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে থানা নিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।”

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী এই জঘন্য কাজের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।