ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত জামায়াত কর্মী গ্রেপ্তার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 421

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে জামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়ভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত। রবিবার বিকালে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ

ভুক্তভোগীর নানির করা এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি সকালে ওই ছাত্রী অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনের বাড়িতে মুরগির মাংস আনতে যায়। এ সময় জামাল বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়, যার ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সালিশও হয়েছিল। কিন্তু জামাল উদ্দিন ঘটনার দায় স্বীকার করার পরও তার স্ত্রী ও ভাইসহ অন্যদের সহযোগিতায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে গত ১৪ জুন সকালে ভুক্তভোগীকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মীমাংসার আশ্বাসে পরে তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার। সালিশে বিচার না পাওয়ায় অবশেষে ভুক্তভোগীর নানি থানায় মামলা করেন।

আসামীর পরিচয় ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

আটক হওয়া জামাল উদ্দিন তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি ঠুনঠুনিয়া মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন, কিন্তু ঘটনার পর তাকে সেই পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এজাহারে জামাল উদ্দিন ছাড়াও আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি মুসা মিয়া জানান, ভুক্তভোগীর নানির করা মামলার ভিত্তিতে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত জামায়াত কর্মী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে জামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়ভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত। রবিবার বিকালে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ

ভুক্তভোগীর নানির করা এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি সকালে ওই ছাত্রী অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনের বাড়িতে মুরগির মাংস আনতে যায়। এ সময় জামাল বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়, যার ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সালিশও হয়েছিল। কিন্তু জামাল উদ্দিন ঘটনার দায় স্বীকার করার পরও তার স্ত্রী ও ভাইসহ অন্যদের সহযোগিতায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে গত ১৪ জুন সকালে ভুক্তভোগীকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মীমাংসার আশ্বাসে পরে তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার। সালিশে বিচার না পাওয়ায় অবশেষে ভুক্তভোগীর নানি থানায় মামলা করেন।

আসামীর পরিচয় ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

আটক হওয়া জামাল উদ্দিন তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি ঠুনঠুনিয়া মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন, কিন্তু ঘটনার পর তাকে সেই পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এজাহারে জামাল উদ্দিন ছাড়াও আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি মুসা মিয়া জানান, ভুক্তভোগীর নানির করা মামলার ভিত্তিতে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।