ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 222

রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) টাইটাস হিল্লোল রেমার (৫৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ক্রিসেন্ট রোডের বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিল্লোল রেমা ২০০৯-১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার জয়রামপুরা গ্রামের মৃত লিডিং স্টোন রেমার ছেলে।

পরিবারের বক্তব্য ও হতাশার কারণ:

হিল্লোলের স্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালের কর্মকর্তা অনুভা ম্রং বলেন, ‘শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আমি হাসপাতালে চলে যাই। তখন সে শোয়া অবস্থায় ছিল। পাশের কক্ষে দুই মেয়ে ঘুমিয়েছিল। সাড়ে ১০টার দিকে বড় মেয়েকে ফোন করে তার বাবাকে দেখতে বলি। ওই সময় মেয়ে গিয়ে দেখে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে রয়েছে হিল্লোল। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আর্থিক কারণে হতাশাগ্রস্ত ছিল হিল্লোল। প্রতিদিনই আদালতে যেত, কিন্তু যথাযথ কাজ না পাওয়ায় অস্বস্তিতে ছিল। তবে সে আত্মহত্যা করতে পারে, এটা বিশ্বাস হচ্ছে না।’

পুলিশের তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ:

কলাবাগান থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান বলেন, হিল্লোল রাতে ঘুমের ওষুধ খেতেন বলে জানা গেছে। তাঁর স্ত্রী থানায় মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) টাইটাস হিল্লোল রেমার (৫৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ক্রিসেন্ট রোডের বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিল্লোল রেমা ২০০৯-১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার জয়রামপুরা গ্রামের মৃত লিডিং স্টোন রেমার ছেলে।

পরিবারের বক্তব্য ও হতাশার কারণ:

হিল্লোলের স্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালের কর্মকর্তা অনুভা ম্রং বলেন, ‘শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আমি হাসপাতালে চলে যাই। তখন সে শোয়া অবস্থায় ছিল। পাশের কক্ষে দুই মেয়ে ঘুমিয়েছিল। সাড়ে ১০টার দিকে বড় মেয়েকে ফোন করে তার বাবাকে দেখতে বলি। ওই সময় মেয়ে গিয়ে দেখে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে রয়েছে হিল্লোল। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আর্থিক কারণে হতাশাগ্রস্ত ছিল হিল্লোল। প্রতিদিনই আদালতে যেত, কিন্তু যথাযথ কাজ না পাওয়ায় অস্বস্তিতে ছিল। তবে সে আত্মহত্যা করতে পারে, এটা বিশ্বাস হচ্ছে না।’

পুলিশের তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ:

কলাবাগান থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান বলেন, হিল্লোল রাতে ঘুমের ওষুধ খেতেন বলে জানা গেছে। তাঁর স্ত্রী থানায় মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।