ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে ফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, লাশ নিয়ে গেল বিএসএফ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কসবা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 160

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে আল-আমিন মিয়া (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আল-আমিন কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পুটিয়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে।

 ঘটনার প্রেক্ষাপট ও বিএসএফের ভূমিকা:

বিজিবি, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির পাশের শূন্যরেখায় যান আল-আমিন। এ সময় বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন তিনি। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ভারতের বিশালঘর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 বিজিবির প্রতিবাদ ও পরবর্তী পদক্ষেপ:

শনিবার সকালে আল-আমিনের মৃত্যুর বিষয়টি বিজিবিকে জানিয়েছে বিএসএফ। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের আহত হওয়ার খবর রাতে দিয়েছিল বিএসএফ। সকালে ওই যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি জানায় তারা। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। লাশ ফেরত দেওয়ার জন্য পতাকা বৈঠক করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ থেকে সময় পাওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ আনা হবে।’

সীমান্তে ফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, লাশ নিয়ে গেল বিএসএফ

আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে আল-আমিন মিয়া (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আল-আমিন কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পুটিয়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে।

 ঘটনার প্রেক্ষাপট ও বিএসএফের ভূমিকা:

বিজিবি, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির পাশের শূন্যরেখায় যান আল-আমিন। এ সময় বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন তিনি। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ভারতের বিশালঘর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 বিজিবির প্রতিবাদ ও পরবর্তী পদক্ষেপ:

শনিবার সকালে আল-আমিনের মৃত্যুর বিষয়টি বিজিবিকে জানিয়েছে বিএসএফ। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের আহত হওয়ার খবর রাতে দিয়েছিল বিএসএফ। সকালে ওই যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি জানায় তারা। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। লাশ ফেরত দেওয়ার জন্য পতাকা বৈঠক করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ থেকে সময় পাওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ আনা হবে।’