ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর ১৭ দিন পর জীবিত ফিরে এলো কিশোর! দাফন করা হয়েছে কার লাশ?

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 460

সিলেটের ওসমানীনগরে নিখোঁজ হওয়ার পর যাকে মৃত ভেবে দাফন করা হয়েছিল, ১৭ দিন পর সেই রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামের এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হয়ে কারাগারে আছেন এক ব্যবসায়ী।

শনিবার (২৩ আগস্ট) নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। তাকে জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যেভাবে ঘটলো পুরো ঘটনা

নাঈম সিলেটের গোয়ালাবাজারের একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতো। গত ২৪ জুলাই সে হঠাৎ নিখোঁজ হলে তার মা ওসমানীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

লাশটি নাঈমের বলে শনাক্ত করে তার পরিবার ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করে। এরপর নাঈমের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুল ফকিরকে প্রধান আসামি করা হয়। এই মুহূর্তে তিনি কারাগারে আছেন।

তদন্তের মোড় বদল ও পুলিশি তৎপরতা

মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করেন।

এসআই মুস্তাফিজ বলেন, “তদন্ত করতে গিয়ে কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে কিশোরের মা এবং মামা আদালতে উপস্থিত আছেন।”

তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নাঈমের পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—তবে ১৭ দিন আগে কার লাশ দাফন করা হয়েছিল?

মৃত্যুর ১৭ দিন পর জীবিত ফিরে এলো কিশোর! দাফন করা হয়েছে কার লাশ?

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের ওসমানীনগরে নিখোঁজ হওয়ার পর যাকে মৃত ভেবে দাফন করা হয়েছিল, ১৭ দিন পর সেই রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামের এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হয়ে কারাগারে আছেন এক ব্যবসায়ী।

শনিবার (২৩ আগস্ট) নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। তাকে জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যেভাবে ঘটলো পুরো ঘটনা

নাঈম সিলেটের গোয়ালাবাজারের একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতো। গত ২৪ জুলাই সে হঠাৎ নিখোঁজ হলে তার মা ওসমানীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

লাশটি নাঈমের বলে শনাক্ত করে তার পরিবার ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করে। এরপর নাঈমের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুল ফকিরকে প্রধান আসামি করা হয়। এই মুহূর্তে তিনি কারাগারে আছেন।

তদন্তের মোড় বদল ও পুলিশি তৎপরতা

মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করেন।

এসআই মুস্তাফিজ বলেন, “তদন্ত করতে গিয়ে কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে কিশোরের মা এবং মামা আদালতে উপস্থিত আছেন।”

তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নাঈমের পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—তবে ১৭ দিন আগে কার লাশ দাফন করা হয়েছিল?