ফরিদপুরে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৯:১৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
- / 78
ফরিদপুর জেলা স্টেডিয়ামে বসেছিল বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের এক অন্যরকম মিলনমেলা। শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রাক্তন ক্রিকেটারদের এই পুনর্মিলনী উপলক্ষে একটি জমকালো ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই উৎসবমুখর আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ফরিদপুর স্টেডিয়াম সাবেক খেলোয়াড়দের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন পর পুরোনো সতীর্থদের সঙ্গে একসঙ্গে মাঠে নামতে পেরে সাবেক ক্রিকেটারদের মাঝে এক অভূতপূর্ব আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
আয়োজকেরা জানান, এই চমৎকার আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাবেক ক্রিকেটারদের এক সুতোয় বাঁধা, পুরোনো সোনালী স্মৃতি রোমন্থন এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা। এই মহতি পুনর্মিলনীতে মোট চারটি দলে বিভক্ত হয়ে প্রায় ১১০ জন প্রাক্তন ক্রিকেটার অংশ নেন।
বসেছিল তারকা ক্রিকেটার ও আম্পায়ারদের মেলা:
ক্রিকেট উৎসবে অংশ নিতে ফরিদপুর জেলা স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার, দেশের বিভিন্ন নামী লীগে খেলা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এবং ফরিদপুর জেলা দলের সাবেক একঝাঁক তারকা।
এ সময় সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার মোখলেসুর রহমান বাবলু, সাবেক ক্রিকেটার কাজী আসাদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইসিসি প্যানেল আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল, সাবেক ক্রিকেটার গোলাম নাসিম, সাবেক জাতীয় পেসার তালহা জুবায়ের, সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার মাহবুব আলম রবিন, জহির উদ্দিন সজল, আশফাক আলী রাহাত, মাহবুবুল আলম নিক্কন, রুবায়েত ফেরদৌস জামি ও সায়ফুর রহমান সজিব সহ ১১০ জন সাবেক ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
চ্যাম্পিয়ন তালহা-জুবায়ের একাদশ:
পুনর্মিলনী উপলক্ষে আয়োজিত এই ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চারটি দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো— ফরিদপুর ক্রিকেট একাডেমী, তালহা-জুবায়ের একাদশ, এভারগ্রিন একাদশ এবং এফকেসিসি একাদশ।
দিনভর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হয় ‘তালহা-জুবায়ের একাদশ’ বনাম ‘এফকেসিসি একাদশ’। ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে এফকেসিসি একাদশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান সংগ্রহ করে। ১১৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখায় তালহা-জুবায়ের একাদশ। তারা মাত্র ১৭ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে (১১৩ রান) পৌঁছে যায় এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
পুরস্কার ও সম্মাননা বিতরণ:
খেলা শেষে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী ও রানার্স-আপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি বিতরণ করা হয়। এছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করা খেলোয়াড়দের হাতে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ এবং ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’-এর বিশেষ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সবশেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের মাটিতে পা রাখা আমন্ত্রিত সাবেক জাতীয় ক্রিকেটারদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।




















