ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানবালার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, মুখ খুললেন ত্বহা আদনান

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 579

তরুণ ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ঘিরে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অঙ্গনে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল, তা অবশেষে শান্ত হওয়ার পথে। পরকীয়া এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ আনার একদিন পরই সারাহ সেই পোস্ট প্রত্যাহার করে স্বামীর কাছে ক্ষমা চান। পরে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিজেও ফেসবুকে দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে পুরো ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘আবেগের বহিঃপ্রকাশ’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

স্ত্রীর অভিযোগ ও নাটকীয় প্রত্যাহার

পোস্ট দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সাবিকুন নাহার সারাহ তাঁর অবস্থান থেকে সরে আসেন।

মূল অভিযোগ: সাবিকুন নাহার সারাহ প্রথমে ফেসবুকে অভিযোগ করেন যে, তাঁর স্বামী আবু ত্ব-হা একজন বিমানবালা জরিনা জাবিনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, আদনানের প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা চলে, যা তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

ক্ষমা ও প্রত্যাহার: একদিন পরই সারাহ পূর্বের পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং স্বামীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন পোস্ট দেন। সেখানে তিনি জানান, কিছু হিংসুক ব্যক্তি তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছিল। তিনি স্বীকার করেন, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েই তিনি ভিত্তিহীন পোস্টটি করেছিলেন।

আদনানের ব্যাখ্যা: ‘আমার স্ত্রী অনুতপ্ত’

স্ত্রীর পোস্ট প্রত্যাহারের পর আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিজেও ফেসবুকের মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আবেগের বহিঃপ্রকাশ: আদনান বলেন, স্ত্রীর পোস্টগুলো তাঁর ভালোবাসা ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র, ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটা ঘটেছে। তাঁর ভাষায়, “আমার স্ত্রী অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন—এটাই আমার জন্য যথেষ্ট।”

অভিযোগ অস্বীকার: তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। তিনি ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণ সহায়তা ও দাওয়াতি কার্যক্রমে অনুদান ব্যয়ের কথা জানান।

‘মিক্সিংয়ের সুযোগ নেই’: নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানে মিক্সিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। মহরম স্থানে পুরুষ ও নারী একসঙ্গে অবস্থান করে না।”

এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ আদনানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন।

বিমানবালার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, মুখ খুললেন ত্বহা আদনান

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

তরুণ ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ঘিরে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অঙ্গনে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল, তা অবশেষে শান্ত হওয়ার পথে। পরকীয়া এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ আনার একদিন পরই সারাহ সেই পোস্ট প্রত্যাহার করে স্বামীর কাছে ক্ষমা চান। পরে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিজেও ফেসবুকে দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে পুরো ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘আবেগের বহিঃপ্রকাশ’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

স্ত্রীর অভিযোগ ও নাটকীয় প্রত্যাহার

পোস্ট দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সাবিকুন নাহার সারাহ তাঁর অবস্থান থেকে সরে আসেন।

মূল অভিযোগ: সাবিকুন নাহার সারাহ প্রথমে ফেসবুকে অভিযোগ করেন যে, তাঁর স্বামী আবু ত্ব-হা একজন বিমানবালা জরিনা জাবিনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, আদনানের প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা চলে, যা তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

ক্ষমা ও প্রত্যাহার: একদিন পরই সারাহ পূর্বের পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং স্বামীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন পোস্ট দেন। সেখানে তিনি জানান, কিছু হিংসুক ব্যক্তি তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছিল। তিনি স্বীকার করেন, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েই তিনি ভিত্তিহীন পোস্টটি করেছিলেন।

আদনানের ব্যাখ্যা: ‘আমার স্ত্রী অনুতপ্ত’

স্ত্রীর পোস্ট প্রত্যাহারের পর আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিজেও ফেসবুকের মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আবেগের বহিঃপ্রকাশ: আদনান বলেন, স্ত্রীর পোস্টগুলো তাঁর ভালোবাসা ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র, ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটা ঘটেছে। তাঁর ভাষায়, “আমার স্ত্রী অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন—এটাই আমার জন্য যথেষ্ট।”

অভিযোগ অস্বীকার: তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। তিনি ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণ সহায়তা ও দাওয়াতি কার্যক্রমে অনুদান ব্যয়ের কথা জানান।

‘মিক্সিংয়ের সুযোগ নেই’: নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানে মিক্সিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। মহরম স্থানে পুরুষ ও নারী একসঙ্গে অবস্থান করে না।”

এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ আদনানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন।