ফরিদপুরে রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র তুরাগ হত্যা: ‘চেরুয়া ফারুক’ গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৭:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
- / 841
ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান নূর ওরফে তুরাগ (২২) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ফারুক ওরফে চেরুয়া ফারুককে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। মাদক ব্যবসার ভাগাভাগি ও এলাকায় কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১১ অক্টোবর এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে র্যাব-১০ এর মিডিয়া বিভাগের সহকারী পরিচালক ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন চেরুয়া ফারুক
র্যাব-১০ সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে একটি আভিযানিক দল ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানাধীন আলীপুর কবরস্থান এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মো. ফারুক ওরফে চেরুয়া ফারুক কোতোয়ালি থানার করিম শেখের ছেলে।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত
র্যাব-১০ এর দেওয়া তথ্যানুসারে, তুরাগ হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং অত্যন্ত নৃশংস:
কারণ: গত ১১ অক্টোবর ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন গোবিন্দপুর এলাকায় মাদক ব্যবসার ভাগাভাগি ও কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ঘটনার বিবরণ: ওইদিন বিকেলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর স্থানীয় কানা তুষার গ্রুপের সদস্যরা কৌশলে তুরাগকে গোবিন্দপুর এলাকার একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
লাশ গুমের চেষ্টা: হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা এখানেই শেষ হয়নি। আসামিরা নিহতের এক হাত কেটে নিয়ে যায় এবং লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে বাগানের ভেতরে কলার পাতার নিচে চাপা দিয়ে রাখে।
মামলা ও পরবর্তী পদক্ষেপ
এই বর্বর ঘটনার পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধে, র্যাব-১০ গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে এবং চেরুয়া ফারুককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফারুককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে। এই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





















