ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে মেম্বারের রান্নাঘরে অস্ত্র! আদালতের রায়ে তোলপাড়

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 407

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক জনপ্রিয় ইউপি সদস্যের বাড়ির উন্মুক্ত রান্নাঘর থেকে অস্ত্র উদ্ধারের সেই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হলো। দীর্ঘ দুই বছরের আইনি লড়াই শেষে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তাতে পুরো জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

কী ছিল সেই ঘটনা?

মামলার নথি ও এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১০ মার্চ গভীর রাতে আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে ইউপি সদস্য সৈয়দ শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৬। ওই সময় তার বসতঘরের পাশের একটি খোলা রান্নাঘর থেকে একটি দেশীয় ‘ওয়ান শুটার গান’ উদ্ধার দেখানো হয়। পরদিন অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে তাকে আলফাডাঙ্গা থানায় সোপর্দ করা হয়েছিল।

আদালতে যেভাবে পাল্টে গেল চিত্র:

সৈয়দ শরিফুল ইসলাম আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত জনপ্রিয় সদস্য। শুরু থেকেই তার পরিবার দাবি করে আসছিল, এটি একটি সাজানো নাটক। নির্বাচনে পরাজিত প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে ধ্বংস করতে রাতের আঁধারে অস্ত্র রেখে প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে ফাঁসিয়েছিল।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে বুধবার আদালত রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত শরিফুল ইসলামকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

প্রতিক্রিয়া:

রায়ের পর আদালত চত্বরে আবেগাপ্লুত শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমাকে ষড়যন্ত্র করে দুই বছর হয়রানি করা হয়েছে। অবশেষে সত্যের জয় হলো।” আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শাহজাহান খান জানান, মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলেন এবং তারা আদালতে সেটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

ফরিদপুরে মেম্বারের রান্নাঘরে অস্ত্র! আদালতের রায়ে তোলপাড়

আপডেট সময় : ১২:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক জনপ্রিয় ইউপি সদস্যের বাড়ির উন্মুক্ত রান্নাঘর থেকে অস্ত্র উদ্ধারের সেই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হলো। দীর্ঘ দুই বছরের আইনি লড়াই শেষে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তাতে পুরো জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জিয়া হায়দার এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

কী ছিল সেই ঘটনা?

মামলার নথি ও এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১০ মার্চ গভীর রাতে আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে ইউপি সদস্য সৈয়দ শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৬। ওই সময় তার বসতঘরের পাশের একটি খোলা রান্নাঘর থেকে একটি দেশীয় ‘ওয়ান শুটার গান’ উদ্ধার দেখানো হয়। পরদিন অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে তাকে আলফাডাঙ্গা থানায় সোপর্দ করা হয়েছিল।

আদালতে যেভাবে পাল্টে গেল চিত্র:

সৈয়দ শরিফুল ইসলাম আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত জনপ্রিয় সদস্য। শুরু থেকেই তার পরিবার দাবি করে আসছিল, এটি একটি সাজানো নাটক। নির্বাচনে পরাজিত প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে ধ্বংস করতে রাতের আঁধারে অস্ত্র রেখে প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে ফাঁসিয়েছিল।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে বুধবার আদালত রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত শরিফুল ইসলামকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

প্রতিক্রিয়া:

রায়ের পর আদালত চত্বরে আবেগাপ্লুত শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমাকে ষড়যন্ত্র করে দুই বছর হয়রানি করা হয়েছে। অবশেষে সত্যের জয় হলো।” আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শাহজাহান খান জানান, মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলেন এবং তারা আদালতে সেটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।