ফরিদপুরে মাদকের প্রতিবাদ করায় সাবেক সেনা সদস্যকে পিটিয়ে জখম
- আপডেট সময় : ১২:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
- / 266
ফরিদপুরের সালথায় মাদক বিক্রয় ও সেবনে বাধা দেওয়ায় মো. শহিদুল সোহেল (৪৮) নামে সাবেক এক সেনা সদস্যের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে স্থানীয় মাদক কারবারিরা। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত শহিদুলের নিজ ক্লিনিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ ও সিসিটিভি ফুটেজ:
আহত শহিদুল সোহেল সালথা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক এবং ওই এলাকার দাউদ শিকদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালথা জননী সুপার মার্কেটের নিচতলায় নিয়মিত মাদক বিক্রি ও গাঁজা সেবন করেন নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে মাদক সেবনে বাধা দেন শহিদুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ী নুরু বিশ্বাস, শামীম বিশ্বাস ও সোহেল লাঠিসোটা নিয়ে ক্লিনিকে ঢুকে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক মিলে ওই সাবেক সেনা সদস্যকে লাঠি দিয়ে নির্দয়ভাবে পেটাচ্ছে এবং তিনি নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।
অভিযুক্তদের পরিচয়:
হামলাকারী নুরু বিশ্বাস (৩৫) ও শামীম বিশ্বাস (২৪) উপজেলার ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে। উল্লেখ্য, তারা দুজনই উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কালাম বিশ্বাসের আপন ছোট ভাই। অপর হামলাকারী সোহেল (২৩) একই গ্রামের জামাল মাতুব্বরের ছেলে।
আহতের বক্তব্য ও বিচার দাবি:
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুল সোহেল বলেন, “মার্কেটের সামনে বসে মাদক বিক্রি ও সেবনের প্রতিবাদ করায় নুরুর সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। মুরুব্বিরা মিমাংসা করে দিলেও রাতে তারা পাইপ ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার ক্লিনিকে ঢুকে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। আমি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
পুলিশি তৎপরতা:
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।





















