ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দৃষ্টি আকর্ষন –প্রকাশক আবুল কালাম আজাদ

ফরিদপুরে মৃত্যুর চার বছর পর হঠাৎ মামলা, চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্র মূলক আসামী করার প্রতিবাদ

রাশেদুল হাসান কাজল, ফরিদপুর:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / 127

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টুর নামে প্রায় ৪ বছর পর হিরু শেখের (৫০) মৃত্যুতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে আদালতে। এদিকে হিরু শেখের মৃত্যুটি হত্যা নাকি স্ট্রোক জনিত কারনে মৃত্যু তা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আদালতে বাদী শেখ রুমন তার বাবা হিরু শেখের আহত হবার চিকিৎসা পত্র বা কোন প্রকার মৃত্যু সনদ প্রদান করতে পারেন নি।

বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে স্থানীয় একটি মহল মৃত্যুকে হত্যা বলে মামলা দিয়ে আসামী করার প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ইউনিয়নের এলাকাবাসী। ফরিদপুর নদী বন্দর এলাকার ডিক্রিড়চর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কয়েকশত এলাকার নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নদী বন্দর এলাকা প্রদর্ক্ষীন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফরিদপুর নদী বন্দর এলাকার কিছু বালু খেকোরা রাতের আধারে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় এম.পি’র সহায়তা নিয়ে এই অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করায় তারাই ক্ষিপ্ত হয়েষড়যন্ত্র মূলকভাবে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের ১ নং সাক্ষী নুরু শেখ। তিনি বলেন,আমাকে এই মিথ্যা মামলায় যে সাক্ষী হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে তা আমি জানতাম না। মামলা বাদী বা যারা ইন্দন দিয়ে মামলা করিয়েছে তারা কেউ আমাকে কিছু জানায় নি।

তিনি এসময় বলেন, হিরু শেখের মৃত্যুতে হত্যা মামলার বিষয়টি কতটুকু সত্য সেটা নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন আছে। হিরু শেখ যখন মারা যায় তখন আমরা সবাই জানতাম সে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। হঠাৎ গায়েবী ভাবে শুনি যে হিরু শেখের মৃত্যুতে চেয়ারম্যান মিন্টুকে আসামী করে মামলা করেছে তার ছেলে শেখ রুমন। আবার আমাকে না জানিয়ে অন্যায় ভাবে সাক্ষী বানানো হয়েছে। আমি আমাকে নিয়ে এই চতুরতারও বিচার চাই।

এসময় তারা আরো অভিযোগ করেন, ফেসবুকে একাধিক ফেক আইডি খুলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফরিদপুরের সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের আইজুদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের মো. হিরু শেখ, ২০২০ সালের ০৯ নভেন্বর মৃত্যু বরন করেন। এর প্রায় তিন বছর ০৯ মাস পর গত ৩১ আগষ্ট ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা দায়ের করেন তার পুত্র শেখ রুমন। ওই মামলায় ডিক্রিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টু ও তার আরো চার ভাইসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামী করা হয়। আদালয়ে মামলা দায়েরের সময় হিরু শেখের আহত হবার চিকিৎসা পত্র বা কোন প্রকার মৃত্যু সনদ প্রদান করতে পারেন নি।

ট্যাগস :

দৃষ্টি আকর্ষন –প্রকাশক আবুল কালাম আজাদ

ফরিদপুরে মৃত্যুর চার বছর পর হঠাৎ মামলা, চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্র মূলক আসামী করার প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টুর নামে প্রায় ৪ বছর পর হিরু শেখের (৫০) মৃত্যুতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে আদালতে। এদিকে হিরু শেখের মৃত্যুটি হত্যা নাকি স্ট্রোক জনিত কারনে মৃত্যু তা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আদালতে বাদী শেখ রুমন তার বাবা হিরু শেখের আহত হবার চিকিৎসা পত্র বা কোন প্রকার মৃত্যু সনদ প্রদান করতে পারেন নি।

বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে স্থানীয় একটি মহল মৃত্যুকে হত্যা বলে মামলা দিয়ে আসামী করার প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ইউনিয়নের এলাকাবাসী। ফরিদপুর নদী বন্দর এলাকার ডিক্রিড়চর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কয়েকশত এলাকার নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নদী বন্দর এলাকা প্রদর্ক্ষীন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফরিদপুর নদী বন্দর এলাকার কিছু বালু খেকোরা রাতের আধারে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় এম.পি’র সহায়তা নিয়ে এই অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করায় তারাই ক্ষিপ্ত হয়েষড়যন্ত্র মূলকভাবে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের ১ নং সাক্ষী নুরু শেখ। তিনি বলেন,আমাকে এই মিথ্যা মামলায় যে সাক্ষী হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে তা আমি জানতাম না। মামলা বাদী বা যারা ইন্দন দিয়ে মামলা করিয়েছে তারা কেউ আমাকে কিছু জানায় নি।

তিনি এসময় বলেন, হিরু শেখের মৃত্যুতে হত্যা মামলার বিষয়টি কতটুকু সত্য সেটা নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন আছে। হিরু শেখ যখন মারা যায় তখন আমরা সবাই জানতাম সে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। হঠাৎ গায়েবী ভাবে শুনি যে হিরু শেখের মৃত্যুতে চেয়ারম্যান মিন্টুকে আসামী করে মামলা করেছে তার ছেলে শেখ রুমন। আবার আমাকে না জানিয়ে অন্যায় ভাবে সাক্ষী বানানো হয়েছে। আমি আমাকে নিয়ে এই চতুরতারও বিচার চাই।

এসময় তারা আরো অভিযোগ করেন, ফেসবুকে একাধিক ফেক আইডি খুলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ফরিদপুরের সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের আইজুদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের মো. হিরু শেখ, ২০২০ সালের ০৯ নভেন্বর মৃত্যু বরন করেন। এর প্রায় তিন বছর ০৯ মাস পর গত ৩১ আগষ্ট ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা দায়ের করেন তার পুত্র শেখ রুমন। ওই মামলায় ডিক্রিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টু ও তার আরো চার ভাইসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামী করা হয়। আদালয়ে মামলা দায়েরের সময় হিরু শেখের আহত হবার চিকিৎসা পত্র বা কোন প্রকার মৃত্যু সনদ প্রদান করতে পারেন নি।