ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি মান্নানের ছেলে ডিবি হেফাজতে

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 41

চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।

পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ:

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আটকের পর বিকেল ৫টার দিকে সজীবকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি চাঁদাবাজির একাধিক গুরুতর অভিযোগ জমা পড়ার পর সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাকে সেখানে নেওয়া হয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই সজীবকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি পুলিশের তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বেচ্ছায় এসপি কার্যালয়ে আসেন। সেখানে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ডিবি কার্যালয়ে হস্তান্তর:

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সজীবকে পুনরায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি কিংবা কোনো নিয়মিত মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, “বিষয়টি নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

এদিকে আজ সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, খাইরুল ইসলাম সজীবকে অধিকতর ও গভীর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্তমানে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সজীব বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি মান্নানের ছেলে ডিবি হেফাজতে

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সজীব নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।

পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ:

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আটকের পর বিকেল ৫টার দিকে সজীবকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি চাঁদাবাজির একাধিক গুরুতর অভিযোগ জমা পড়ার পর সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাকে সেখানে নেওয়া হয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই সজীবকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি পুলিশের তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বেচ্ছায় এসপি কার্যালয়ে আসেন। সেখানে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ডিবি কার্যালয়ে হস্তান্তর:

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সজীবকে পুনরায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি কিংবা কোনো নিয়মিত মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, “বিষয়টি নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

এদিকে আজ সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, খাইরুল ইসলাম সজীবকে অধিকতর ও গভীর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্তমানে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সজীব বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।