ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 675

ফরিদপুর সদর উপজেলার এলাকায় গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এক ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শিশুটি তার বন্ধুদের সাথে বাড়ির পাশে একটি আম বাগানে খেলছিল। এ সময় হামজা শেখ (২৮) নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে পাখির বাচ্চা ধরে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঝোপের আড়ালে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসলে হামজা পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত:

অভিযুক্ত হামজা শেখ সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ তার সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে।

পুলিশের তদন্ত:

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং শিশুটির মেডিকেল পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।

সামাজিক প্রভাব:

এই ঘটনা সারা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং শিশু নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

আপডেট সময় : ১১:১৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুর সদর উপজেলার এলাকায় গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এক ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শিশুটি তার বন্ধুদের সাথে বাড়ির পাশে একটি আম বাগানে খেলছিল। এ সময় হামজা শেখ (২৮) নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে পাখির বাচ্চা ধরে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঝোপের আড়ালে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসলে হামজা পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত:

অভিযুক্ত হামজা শেখ সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ তার সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে।

পুলিশের তদন্ত:

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং শিশুটির মেডিকেল পরীক্ষা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।

সামাজিক প্রভাব:

এই ঘটনা সারা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং শিশু নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।