ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 560

ফরিদপুরের সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০টি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত আটজন।

ঘটনার বিবরণ:

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে। ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্কাস মাতুব্বর এবং ওই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাশেম খানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার বিকেলে এলাকার একটি পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে সোমবার সকালে হাশেম খানের সমর্থকরা আক্কাস মাতুব্বরের বাড়িসহ তার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করে ভাঙচুর করে এবং ১০ লক্ষাধিক টাকার গরু-ছাগল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকরা সংগঠিত হয়ে হাশেম খানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

পুলিশের ভূমিকা:

খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

উভয় পক্ষের দাবি:

  • আক্কাস মাতুব্বর: হাশেম খানের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে আমার বাড়িসহ আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করেছে এবং ১০ লক্ষাধিক টাকার গরু-ছাগল লুটপাট করেছে।
  • হাশেম খান: আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকরা আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে।

পুলিশের বক্তব্য:

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট

আপডেট সময় : ১০:৫২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুরের সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ফুসরা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০টি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত আটজন।

ঘটনার বিবরণ:

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে। ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্কাস মাতুব্বর এবং ওই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাশেম খানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার বিকেলে এলাকার একটি পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে সোমবার সকালে হাশেম খানের সমর্থকরা আক্কাস মাতুব্বরের বাড়িসহ তার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করে ভাঙচুর করে এবং ১০ লক্ষাধিক টাকার গরু-ছাগল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকরা সংগঠিত হয়ে হাশেম খানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

পুলিশের ভূমিকা:

খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

উভয় পক্ষের দাবি:

  • আক্কাস মাতুব্বর: হাশেম খানের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে আমার বাড়িসহ আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করেছে এবং ১০ লক্ষাধিক টাকার গরু-ছাগল লুটপাট করেছে।
  • হাশেম খান: আক্কাস মাতুব্বরের সমর্থকরা আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে।

পুলিশের বক্তব্য:

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।