ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে শাহাদাৎ মুন্সীকে হত্যা, ৩ জনের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 177

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ১৫ বছর বয়সী এক অটোচালককে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

রায় ঘোষণা

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন।

দণ্ডিতদের পরিচয়

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চৌধুরীকান্দা সদরদী এলাকার ওহাব শেখের ছেলে আয়নাল শেখ, একই এলাকার তৈয়ব মুন্সীর ছেলে স্বপন মুন্সী ও ওই এলাকার বাকী মাতুব্বরের ছেলে আলামিন মাতুব্বর। আসামি আয়নাল শেখ ও স্বপন মুন্সী রায় দেওয়ার সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও আলামিন মাতুব্বর পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার বেলায়েত মুন্সীর ছেলে শাহাদাৎ মুন্সী ভাড়ায় অটো নিয়ে বের হন। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের একদিন পর পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার বাসাগাড়ী এলাকায় গলায় গামছা পেঁচানো শাহাদতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহাদতের ভাই আবু সাঈদ বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবীর বক্তব্য

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রকিবুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে শাহাদাৎ মুন্সীকে হত্যা, ৩ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১১:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ১৫ বছর বয়সী এক অটোচালককে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

রায় ঘোষণা

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন।

দণ্ডিতদের পরিচয়

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চৌধুরীকান্দা সদরদী এলাকার ওহাব শেখের ছেলে আয়নাল শেখ, একই এলাকার তৈয়ব মুন্সীর ছেলে স্বপন মুন্সী ও ওই এলাকার বাকী মাতুব্বরের ছেলে আলামিন মাতুব্বর। আসামি আয়নাল শেখ ও স্বপন মুন্সী রায় দেওয়ার সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও আলামিন মাতুব্বর পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার বেলায়েত মুন্সীর ছেলে শাহাদাৎ মুন্সী ভাড়ায় অটো নিয়ে বের হন। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের একদিন পর পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার বাসাগাড়ী এলাকায় গলায় গামছা পেঁচানো শাহাদতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহাদতের ভাই আবু সাঈদ বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবীর বক্তব্য

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রকিবুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।