ওলামা লীগের ঝালকাঠি জেলার সাবেক সদস্য সচিব কারি মো. নেয়ামত উল্লাহ এবার জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্র থেকে ২৫ সদস্যের এ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেয়ামত উল্লাহ ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার আমুয়া নতুন বন্দরের ব্যবসায়ী। তিনি পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
কমিটির প্রতিক্রিয়া ও দলীয় বিতর্ক:
জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সাইদুর রহমান জানান, জেলা কমিটি গঠনের আগে উপজেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। তাদের মতামত ও সুপারিশে নামের চূড়ান্ত তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্র সেই কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। নেয়ামত উল্লাহর নাম কমিটিতে কিভাবে ঢুকল বুঝতে পারছি না। তাকে এ কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। জেলা-উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, আগে আওয়ামী লীগ করতেন এমন অনেকেই এখন বিএনপি সহযোগী সংগঠনগুলোতে ভিড়ছেন। প্রেক্ষাপট পরিবর্তেনর পর ছদ্মবেশে দলে অবস্থান নিয়েছেন। কেউ কেউ সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছেন। অথচ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশ আছে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে। স্থানীয় নেতারা তাদের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন না করায় তা ঠেকানো যাচ্ছে না। এটা দলের জন্য অশুভ।
দলীয় পদক্ষেপ ও আইনি প্রক্রিয়া:
জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবীন জানান, “দলে কোনো অনুপ্রবেশকারীর স্থান হবে না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:
এ ঘটনায় এলাকাবাসী মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কেউ কেউ দল পরিবর্তনের এই ঘটনাকে রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানীতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ একে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে মনে করছেন।