ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর, পরিস্থিতি সামাল দিল সেনা-পুলিশ-র‍্যাব

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 655

ফরিদপুর শহরের কোতোয়ালি থানাধীন বদরপুর এলাকার নুর প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি সংলগ্ন ‘স্বপ্ন নিবাস মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র’-এ অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে।

রোগীদের উত্তেজনার কারণ

জানা গেছে, উক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ৪১ জন রোগীর মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের স্টাফদের দ্বারা তারা নিয়মিতভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং সেখানে খাদ্য পরিবেশনে রয়েছে মারাত্মক অনিয়ম। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই কয়েকজন রোগী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রোগীদের মধ্যে উত্তেজিত কয়েকজন ভবনের দ্বিতীয় তলার পুরাতন কাগজপত্র ও অন্যান্য সামগ্রীতে আগুন ধরিয়ে দেন। একই সঙ্গে জানালার কাচ, আসবাবপত্র, ফ্যান ইত্যাদি ভাঙচুর করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকেন। এতে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ

স্থানীয় লোকজন দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশে খবর দিলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সব বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে রোগীদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রোগীদের অভিযোগ

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রোগীরা অভিযোগ করেন যে, প্রতিষ্ঠানটির কতিপয় কর্মচারী তাদের নির্যাতন করে ও মারধর করে থাকেন। সেই সঙ্গে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রোগীদের দাবি, এই কারণেই তারা উত্তেজিত হয়ে এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। ঘটনায় কমপক্ষে চার থেকে পাঁচজন আহত হন বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর, পরিস্থিতি সামাল দিল সেনা-পুলিশ-র‍্যাব

আপডেট সময় : ০১:৫০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

ফরিদপুর শহরের কোতোয়ালি থানাধীন বদরপুর এলাকার নুর প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি সংলগ্ন ‘স্বপ্ন নিবাস মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র’-এ অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে।

রোগীদের উত্তেজনার কারণ

জানা গেছে, উক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ৪১ জন রোগীর মধ্যে কয়েকজন অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের স্টাফদের দ্বারা তারা নিয়মিতভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং সেখানে খাদ্য পরিবেশনে রয়েছে মারাত্মক অনিয়ম। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই কয়েকজন রোগী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রোগীদের মধ্যে উত্তেজিত কয়েকজন ভবনের দ্বিতীয় তলার পুরাতন কাগজপত্র ও অন্যান্য সামগ্রীতে আগুন ধরিয়ে দেন। একই সঙ্গে জানালার কাচ, আসবাবপত্র, ফ্যান ইত্যাদি ভাঙচুর করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকেন। এতে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ

স্থানীয় লোকজন দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশে খবর দিলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সব বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে রোগীদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রোগীদের অভিযোগ

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রোগীরা অভিযোগ করেন যে, প্রতিষ্ঠানটির কতিপয় কর্মচারী তাদের নির্যাতন করে ও মারধর করে থাকেন। সেই সঙ্গে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। রোগীদের দাবি, এই কারণেই তারা উত্তেজিত হয়ে এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। ঘটনায় কমপক্ষে চার থেকে পাঁচজন আহত হন বলে জানা গেছে।