গলায় ছুরি, মাথায় পিস্তল: ফরিদপুরে প্রাইভেটকার ছিনতাই, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ও গাড়ি উদ্ধার
- আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
- / 784
ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ছিনতাইকৃত গাড়িটি ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর গ্রামের একটি এলাকায় অস্ত্রের মুখে চালককে সড়কের পাশে ফেলে দিয়ে গাড়িটি ছিনতাই করা হয়। এ ঘটনায় প্রাইভেটকার চালক মো. ইমরান হোসেন একইদিন থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের শাহিদ মোল্যার ছেলে রাকিবুল হাসান আশিক (২৬), গঙ্গানন্দপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মো. সামিউল ইসলাম (২২) এবং রামদেবনগর গ্রামের মো. অহিদুজ্জামানের ছেলে মো. হামিম শেখ (২০)-কে। মঙ্গলবার দুপুরে তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কীভাবে ছিনতাই ঘটেছিল?
থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর উত্তরার কাওলা থেকে তিন ব্যক্তি একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ ২২-২৩১৮ নম্বর) বোয়ালমারী বাজার পর্যন্ত যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভাড়া নেয়। ভোর ৫টার দিকে উপজেলার শেখর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ব্রিজের ওপর পৌঁছালে তারা চালক ইমরানের গলায় ছুরি ও মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে দেয় এবং গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সুস্থ হওয়ার পর ইমরান অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে মামলা (নং-৩৪) করেন।
প্রযুক্তির সহায়তায় গাড়ি উদ্ধার
মামলার পরপরই বোয়ালমারী থানা পুলিশ তদন্তে নেমে পড়ে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকৃত গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করে তারা ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানায় যোগাযোগ করে। কাঁঠালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় গাড়িটি উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের পর আমরা তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করি এবং কাঁঠালিয়া থানার সহায়তায় সফলভাবে গাড়ি উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করি। মঙ্গলবার তিন আসামিকে আদালতে চালান করা হয়েছে।”





















