ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাত: সীমান্তে রণক্ষেত্র, আহত ২০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 404

ফরিদপুর ফরিদপুরের সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক বিরোধের জেরে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী খারদিয়া ও ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ভোট দেওয়া এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউপি চেয়ারম্যান মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনার জেরে আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা।

ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষকারীরা এলাকায় বেশ কিছু ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান খবর পাওয়ার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:

“আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের অভিযান এখনও অব্যাহত আছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুনরায় সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ফরিদপুরে নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাত: সীমান্তে রণক্ষেত্র, আহত ২০

আপডেট সময় : ০২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুর ফরিদপুরের সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক বিরোধের জেরে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী খারদিয়া ও ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ভোট দেওয়া এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউপি চেয়ারম্যান মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনার জেরে আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা।

ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষকারীরা এলাকায় বেশ কিছু ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান খবর পাওয়ার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:

“আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের অভিযান এখনও অব্যাহত আছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুনরায় সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।