ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1060

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ওপর পুলিশের নজরদারি যে কতটা তীব্র, তারই প্রমাণ মিলল ফরিদপুরের সালথায়। এলাকায় ফিরেও শেষ রক্ষা হলো না। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের পরপর দুই সহসভাপতিকে গ্রেপ্তার করে শ্রীঘরে পাঠাল পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি বাজার এলাকা থেকে মো. শাকিল হোসেন (২৭) নামের ওই ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আটঘর ইউনিয়নের পশ্চিম বিভাগদী গ্রামের আনোয়ার মোল্যার ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে জোড়া গ্রেপ্তার

পুলিশ সূত্রে খবর, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পদে থাকা এবং রাজপথের একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন শাকিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল বুধবার সন্ধ্যায় নকুলহাটি বাজারে আস্তানা গাড়ে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এর ঠিক একদিন আগে, অর্থাৎ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা নাগাদ উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় একই কমিটির আরেক সহসভাপতি মো. নাঈমুজ্জামান নাঈমকে (৩০)। নাঈম ওই গ্রামের মৃত পলাশ মাতুব্বরের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, নাঈমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল এবং তিনি এতদিন গা ঢাকা দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি ফেরার খবর নিশ্চিত হতেই পুলিশ হানা দিয়ে মাঝারদিয়া বাজার থেকে তাঁকে ধরে ফেলে।

আদালতের পথে অভিযুক্তরা

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান—

“গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। অস্থিতিশীলতা ছড়ানো বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

ফরিদপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ওপর পুলিশের নজরদারি যে কতটা তীব্র, তারই প্রমাণ মিলল ফরিদপুরের সালথায়। এলাকায় ফিরেও শেষ রক্ষা হলো না। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের পরপর দুই সহসভাপতিকে গ্রেপ্তার করে শ্রীঘরে পাঠাল পুলিশ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি বাজার এলাকা থেকে মো. শাকিল হোসেন (২৭) নামের ওই ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আটঘর ইউনিয়নের পশ্চিম বিভাগদী গ্রামের আনোয়ার মোল্যার ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে জোড়া গ্রেপ্তার

পুলিশ সূত্রে খবর, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পদে থাকা এবং রাজপথের একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন শাকিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল বুধবার সন্ধ্যায় নকুলহাটি বাজারে আস্তানা গাড়ে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এর ঠিক একদিন আগে, অর্থাৎ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা নাগাদ উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় একই কমিটির আরেক সহসভাপতি মো. নাঈমুজ্জামান নাঈমকে (৩০)। নাঈম ওই গ্রামের মৃত পলাশ মাতুব্বরের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, নাঈমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল এবং তিনি এতদিন গা ঢাকা দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি ফেরার খবর নিশ্চিত হতেই পুলিশ হানা দিয়ে মাঝারদিয়া বাজার থেকে তাঁকে ধরে ফেলে।

আদালতের পথে অভিযুক্তরা

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান—

“গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। অস্থিতিশীলতা ছড়ানো বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”