ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে জামায়াতের আমিরের ছেলেকে কুপিয়ে জখম

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1785

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় মুজাহিদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত মুজাহিদুল তালমা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. এনায়েত হোসেনের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ:

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বিলনালিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালে এ হামলা সংঘটিত হয়। মুজাহিদুল ইসলাম ফরিদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

হামলার নৃশংসতা:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পুরনো বিরোধের জেরে ফেরদৌস, তরিকুল ও শান্তসহ অন্তত ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল মুজাহিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি ও ছুরি দিয়ে মুজাহিদের মাথা, ঘাড়, পিঠ ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরে গভীর আঘাত রয়েছে এবং তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।

পরিবার ও পুলিশের বক্তব্য:

আহত শিক্ষার্থীর পিতা এনায়েত হোসেন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফরিদপুরে জামায়াতের আমিরের ছেলেকে কুপিয়ে জখম

আপডেট সময় : ১০:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় মুজাহিদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত মুজাহিদুল তালমা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. এনায়েত হোসেনের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ:

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বিলনালিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালে এ হামলা সংঘটিত হয়। মুজাহিদুল ইসলাম ফরিদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

হামলার নৃশংসতা:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পুরনো বিরোধের জেরে ফেরদৌস, তরিকুল ও শান্তসহ অন্তত ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল মুজাহিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি ও ছুরি দিয়ে মুজাহিদের মাথা, ঘাড়, পিঠ ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরে গভীর আঘাত রয়েছে এবং তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।

পরিবার ও পুলিশের বক্তব্য:

আহত শিক্ষার্থীর পিতা এনায়েত হোসেন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।