ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে সেই অজ্ঞাত গলাকাটা লাশের পরিচয় শনাক্ত

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1237

ফরিদপুরের নগরকান্দায় হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় অবশেষে মিলেছে। লাশ উদ্ধারের আট দিন পর পুলিশ নিশ্চিত করেছে, নিহত ওই ব্যক্তির নাম আলী মোল্লা (৩৪)। তিনি নগরকান্দা উপজেলার মধ্য জগদিয়া গ্রামের হালিম মোল্লার ছেলে।

মরদেহ উদ্ধার ও দাফন:

গত ১ জানুয়ারি সকালে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের নারানখালি ব্রিজের নিচ থেকে আলী মোল্লার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় না পাওয়ায় একদিন পর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের নির্দেশনায় মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে ফরিদপুরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। তবে পুলিশি তদন্ত ও স্বজনদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার রাতে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ:

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলী মোল্লা দীর্ঘ দুই বছর এলাকায় থাকতেন না। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ বা ‘আদম ব্যবসা’র সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যবসার নামে বহু মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তিনি আর পরিশোধ করেননি। পাওনাদারদের ভয়েই তিনি এলাকায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন বলেও জানা গেছে।

পুলিশের বক্তব্য:

নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসূল সামদানী আজাদ জানান, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের অতীত কর্মকাণ্ড, আর্থিক লেনদেন এবং ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল কাজ করছে এবং দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হবে।

ফরিদপুরে সেই অজ্ঞাত গলাকাটা লাশের পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের নগরকান্দায় হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় অবশেষে মিলেছে। লাশ উদ্ধারের আট দিন পর পুলিশ নিশ্চিত করেছে, নিহত ওই ব্যক্তির নাম আলী মোল্লা (৩৪)। তিনি নগরকান্দা উপজেলার মধ্য জগদিয়া গ্রামের হালিম মোল্লার ছেলে।

মরদেহ উদ্ধার ও দাফন:

গত ১ জানুয়ারি সকালে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের নারানখালি ব্রিজের নিচ থেকে আলী মোল্লার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় না পাওয়ায় একদিন পর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের নির্দেশনায় মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে ফরিদপুরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। তবে পুলিশি তদন্ত ও স্বজনদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার রাতে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ:

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলী মোল্লা দীর্ঘ দুই বছর এলাকায় থাকতেন না। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ বা ‘আদম ব্যবসা’র সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যবসার নামে বহু মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তিনি আর পরিশোধ করেননি। পাওনাদারদের ভয়েই তিনি এলাকায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন বলেও জানা গেছে।

পুলিশের বক্তব্য:

নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসূল সামদানী আজাদ জানান, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের অতীত কর্মকাণ্ড, আর্থিক লেনদেন এবং ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল কাজ করছে এবং দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হবে।