ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক বাবুল কারাগারে, আপিলের আবেদন নামঞ্জুর

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 510

সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশ করার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও সাজার বিবরণ

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশান ফেরার পথে পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় নেতাকর্মীরা। ওই সময় ভিআইপি সড়ক বন্ধ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালানোর অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলায় শহিদুল ইসলাম বাবুলকে দুই ধারায় সাজা দেওয়া হয়। এক ধারায় তার আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হয়। অন্য ধারায় আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

আইনজীবীর বক্তব্য

রায় ঘোষণার পর থেকে শহিদুল ইসলাম বাবুল পলাতক ছিলেন। সোমবার তিনি আপিলের শর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানিয়েছেন, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন।

কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক বাবুল কারাগারে, আপিলের আবেদন নামঞ্জুর

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশ করার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও সাজার বিবরণ

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশান ফেরার পথে পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় নেতাকর্মীরা। ওই সময় ভিআইপি সড়ক বন্ধ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালানোর অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলায় শহিদুল ইসলাম বাবুলকে দুই ধারায় সাজা দেওয়া হয়। এক ধারায় তার আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হয়। অন্য ধারায় আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

আইনজীবীর বক্তব্য

রায় ঘোষণার পর থেকে শহিদুল ইসলাম বাবুল পলাতক ছিলেন। সোমবার তিনি আপিলের শর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানিয়েছেন, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন।