ফরিদপুরে ঝোপঝাড় থেকে ৩টি গ্রেনেড ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ১২:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 456
ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেডসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র্যাব-১০। উদ্ধারকৃত এসব সামগ্রী গত ৫ আগস্ট কোতয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের অস্ত্র ও গোলাবারুদের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযানের বিস্তারিত:
র্যাব-১০ এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের বিএডিসি অফিসের দক্ষিণ পাশের প্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। চরকমলাপুরগামী সড়কের পাশে একটি বিদ্যুতের খুঁটির নিচে ঝোপঝাড়ের ভেতর পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব বিস্ফোরক ও কার্তুজ পাওয়া যায়।
উদ্ধারকৃত সামগ্রী:
অভিযানে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে:
৩টি অবিস্ফোরিত হ্যান্ড গ্রেনেড (ধাতব লিভার সংযুক্ত)।
৪১টি শটগান কার্তুজ।
৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু।
প্রেক্ষাপট ও ঝুঁকি:
র্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় একদল দুষ্কৃতিকারী ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় হামলা চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করেছিল। জননিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই গ্রেনেডগুলো উদ্ধারে র্যাব দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কঠোর নির্দেশনার পর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
র্যাবের বক্তব্য:
র্যাব-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার তারিকুল ইসলাম জানান, “জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় র্যাব সর্বদা প্রস্তুত। উদ্ধারকৃত গ্রেনেডগুলো অবিস্ফোরিত অবস্থায় থাকায় তা সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় আমাদের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উদ্ধারকৃত গোলাবারুদগুলো পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কাজ চলছে।











