ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনাকে বাংলাদেশ নিয়ে আর কথা বলতে দেবে না ভারত

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 553

গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারত সরকার। গত ১৪ মাস ধরে ভারত থেকে তিনি বাংলাদেশ নিয়ে যে উসকানিমূলক মন্তব্য করে আসছেন, তাতে হস্তক্ষেপ করতে চলেছে দেশটি।

মূলত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে নজর দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ শ্রী রাধা দত্তের বরাত দিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ সম্প্রতি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে এই তথ্য জানিয়েছেন।

জামাই আদর বন্ধ: শেখ হাসিনাকে ‘নীরব’ থাকার বার্তা

মোস্তফা ফিরোজের মতে, শেখ হাসিনার ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলার স্বাধীনতায় রাশ টানতে চাইছে নয়াদিল্লি।

বার্তার মূল কথা: সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, ভারতে শেখ হাসিনার ‘জামাই আদর সম্ভবত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’ তাঁকে সরাসরি বলা হয়েছে, ভারতের মাটি থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো কথা না বলতে।

সম্পর্ক উন্নয়নের কারণ: ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তিনি যদি মন্তব্য করতে থাকেন, তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আর কখনোই ভালো হবে না। এই সুসম্পর্ক তৈরি করতেই মূলত হাসিনাকে উসকানিমূলক কথা বলতে দেওয়া হবে না।

সুযোগের ক্ষেত্র: তবে তিনি তাঁর দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবশ্য কথা বলতে পারবেন।

বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রস্তুতি ভারতের

ভারত সরকার বাংলাদেশের আগামী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী সরকার: মোস্তফা ফিরোজ জানান, ভারত নিশ্চিতভাবেই ধরে নিচ্ছে, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশে বিএনপি অথবা জামায়াত সরকার ক্ষমতায় আসতে চলেছে।

নতুন কৌশল: ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আগামী নির্বাচন থেকে যারা পরবর্তী সরকারে আসবে—তা বিএনপি বা জামায়াত, যারাই হোক না কেন—তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, “যদি তিনি (শেখ হাসিনা) কথা বলতে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আর উন্নত হবে না, স্বাভাবিক থাকবে না।”

হাসিনাকে বাংলাদেশ নিয়ে আর কথা বলতে দেবে না ভারত

আপডেট সময় : ১২:২৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারত সরকার। গত ১৪ মাস ধরে ভারত থেকে তিনি বাংলাদেশ নিয়ে যে উসকানিমূলক মন্তব্য করে আসছেন, তাতে হস্তক্ষেপ করতে চলেছে দেশটি।

মূলত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে নজর দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ শ্রী রাধা দত্তের বরাত দিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ সম্প্রতি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে এই তথ্য জানিয়েছেন।

জামাই আদর বন্ধ: শেখ হাসিনাকে ‘নীরব’ থাকার বার্তা

মোস্তফা ফিরোজের মতে, শেখ হাসিনার ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলার স্বাধীনতায় রাশ টানতে চাইছে নয়াদিল্লি।

বার্তার মূল কথা: সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, ভারতে শেখ হাসিনার ‘জামাই আদর সম্ভবত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’ তাঁকে সরাসরি বলা হয়েছে, ভারতের মাটি থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো কথা না বলতে।

সম্পর্ক উন্নয়নের কারণ: ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তিনি যদি মন্তব্য করতে থাকেন, তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আর কখনোই ভালো হবে না। এই সুসম্পর্ক তৈরি করতেই মূলত হাসিনাকে উসকানিমূলক কথা বলতে দেওয়া হবে না।

সুযোগের ক্ষেত্র: তবে তিনি তাঁর দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবশ্য কথা বলতে পারবেন।

বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রস্তুতি ভারতের

ভারত সরকার বাংলাদেশের আগামী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী সরকার: মোস্তফা ফিরোজ জানান, ভারত নিশ্চিতভাবেই ধরে নিচ্ছে, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশে বিএনপি অথবা জামায়াত সরকার ক্ষমতায় আসতে চলেছে।

নতুন কৌশল: ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আগামী নির্বাচন থেকে যারা পরবর্তী সরকারে আসবে—তা বিএনপি বা জামায়াত, যারাই হোক না কেন—তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, “যদি তিনি (শেখ হাসিনা) কথা বলতে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আর উন্নত হবে না, স্বাভাবিক থাকবে না।”