ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ‘আইপিএল’ খেলে ছেলের ২৭ লাখ টাকা ঋণ, মায়ের আত্মহত্যা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 439

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ পালপাড়া গ্রামে এক নারী আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছেলে আইপিএল জুয়ায় ঋণগ্রস্ত হওয়ায় পাওনাদারদের চাপে তার মা দিপালী রানী পাল  (৫৫) সোমবার ২৭ জানুয়ারি আত্মহত্যা করেছেন।

ঘটনার বিবরণ:

দিপালী রানী পাল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার ছেলে অনিল পাল আইপিএল জুয়ায় ২৭ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পাওনাদারদের চাপে অনিল ব্যবসা বন্ধ করে বাড়ি চলে আসে। পরিবারের উপর আর্থিক চাপ ও মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে দিপালী রানী সোমবার সকালে ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের বক্তব্য:

হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আলমগীর মোল্লা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ছেলের ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে দিপালী রানী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

পুলিশের বক্তব্য:

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান জানিয়েছেন, দিপালী রানীর মৃতদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে ‘আইপিএল’ খেলে ছেলের ২৭ লাখ টাকা ঋণ, মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৩:১২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ পালপাড়া গ্রামে এক নারী আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছেলে আইপিএল জুয়ায় ঋণগ্রস্ত হওয়ায় পাওনাদারদের চাপে তার মা দিপালী রানী পাল  (৫৫) সোমবার ২৭ জানুয়ারি আত্মহত্যা করেছেন।

ঘটনার বিবরণ:

দিপালী রানী পাল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার ছেলে অনিল পাল আইপিএল জুয়ায় ২৭ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পাওনাদারদের চাপে অনিল ব্যবসা বন্ধ করে বাড়ি চলে আসে। পরিবারের উপর আর্থিক চাপ ও মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে দিপালী রানী সোমবার সকালে ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের বক্তব্য:

হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আলমগীর মোল্লা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ছেলের ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে দিপালী রানী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

পুলিশের বক্তব্য:

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান জানিয়েছেন, দিপালী রানীর মৃতদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।