ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকে মারধোর, ভেঙে দিল দাঁত!

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 242

ফরিদপুরে মো. মোত্তাকিম (২১) নামে এক নার্সিং শিক্ষার্থীর সঙ্গে শাহীন জোয়ার্দার নামের এক চিকিৎসকের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে মারধরে আহত হন চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দার। এছাড়া তার দু’টি দাঁত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

আহত চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অর্থোডক্সি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এছাড়া সে (শাহীন জোয়ার্দার) ফরিদপুর শহরের কমরপুর এলাকার বাসিন্দা।

অন্যদিকে, মারধোরের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠা মোত্তাকিম ফরিদপুরের বেসরকারি জেড এম প্রাইভেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার মো. আলমগীরের ছেলে। সে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্নি করছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহীন জোয়ার্দার হাসপাতালটির ট্রমা সেন্টার থেকে নিচে নামছিলেন। এসময় জেড এম প্রাইভেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. মোত্তাকিম নিচে থেকে উপরে উঠছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে মোত্তাকিনের। তখন উত্তপ্ত হয়ে মুত্তাকিনকে গায়ের জামার কলার ধরে চড়থাপ্পড় মারেন চিকিৎসক। অতঃপর, বাড়ি ফিরে মুত্তাকিম তার কিছু পরিচিতজনকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে ফের গেলে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দারকে মারধোর করেন। এসময় চিকিৎসকের দু’টি দাঁত ভেঙে যায়।

এব্যাপারে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দিলরুবা জেবা বলেন, শাহীন জোয়ার্দার ফরিদপুরের একজন সুনামধন্য অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক। তাকে যে প্রকাশ্যে মারধোর করা হয়েছে তার ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। আমরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নিব। এছাড়া আমরা বিষয়টি ফরিদপুরের ডিসি, এসপি সহ স্বাস্থ্য বিভাগকে লিখিত আকারে জানাবো। এ ঘটনার পর থেকে আমাদের চিকিৎসকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এব্যাপারে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোরশেদ বলেন, আমরা এ ঘটনায় তিনজনকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য থানায় এনেছি। তাদের জিজ্ঞেসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকে মারধোর, ভেঙে দিল দাঁত!

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

ফরিদপুরে মো. মোত্তাকিম (২১) নামে এক নার্সিং শিক্ষার্থীর সঙ্গে শাহীন জোয়ার্দার নামের এক চিকিৎসকের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে মারধরে আহত হন চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দার। এছাড়া তার দু’টি দাঁত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

আহত চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অর্থোডক্সি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এছাড়া সে (শাহীন জোয়ার্দার) ফরিদপুর শহরের কমরপুর এলাকার বাসিন্দা।

অন্যদিকে, মারধোরের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠা মোত্তাকিম ফরিদপুরের বেসরকারি জেড এম প্রাইভেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার মো. আলমগীরের ছেলে। সে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্নি করছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহীন জোয়ার্দার হাসপাতালটির ট্রমা সেন্টার থেকে নিচে নামছিলেন। এসময় জেড এম প্রাইভেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. মোত্তাকিম নিচে থেকে উপরে উঠছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে মোত্তাকিনের। তখন উত্তপ্ত হয়ে মুত্তাকিনকে গায়ের জামার কলার ধরে চড়থাপ্পড় মারেন চিকিৎসক। অতঃপর, বাড়ি ফিরে মুত্তাকিম তার কিছু পরিচিতজনকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে ফের গেলে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসক শাহীন জোয়ার্দারকে মারধোর করেন। এসময় চিকিৎসকের দু’টি দাঁত ভেঙে যায়।

এব্যাপারে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দিলরুবা জেবা বলেন, শাহীন জোয়ার্দার ফরিদপুরের একজন সুনামধন্য অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক। তাকে যে প্রকাশ্যে মারধোর করা হয়েছে তার ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। আমরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নিব। এছাড়া আমরা বিষয়টি ফরিদপুরের ডিসি, এসপি সহ স্বাস্থ্য বিভাগকে লিখিত আকারে জানাবো। এ ঘটনার পর থেকে আমাদের চিকিৎসকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এব্যাপারে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোরশেদ বলেন, আমরা এ ঘটনায় তিনজনকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য থানায় এনেছি। তাদের জিজ্ঞেসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।