ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে বর্ণিল ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

শেখ সালমান আহমেদ, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 238

ঘুড়ি উৎসবের ছবি

শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রির চর ইউনিয়নের ধলার মোড় এলাকায় পদ্মা নদীর পারে অনুষ্ঠিত হয় ঘুড়ি উৎসব। ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই মাঘ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনের আয়োজনে ঘুড়ি উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল ‘চলো হারাই শৈশবে’।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জনাব মো. কামরুল আহসান তালুকদার, পিএএ, জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মোর্শেদ আলী, পিপিএম, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর।

এসময় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের ফুল এবং ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ। উৎসবে শতাধিক প্রতিযোগী বিভিন্ন আকার, আকৃতি ও রং – বেরঙের ঘুড়ি নিয়ে অংশ নেন। উল্লেখযোগ্য আকৃতির ঘুড়ির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা, মাছ, ঈগল, লেজযুক্ত ঘুড়ি ও হাজারী গোলাপ প্রভৃতি। হাজারী গোলাপ ঘুড়িটি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। উৎসবের অন্যতম আয়োজক ‘ফরিদপুর সিটি’ ফেসবুক পেইজের এমদাদুল হাসান বলেন, ‘আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া উৎসবগুলো পুনরায় জনপ্রিয় করে তোলার জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। এ উৎসবে বিজয়ী ২০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হবে।’ নীল আকাশকে বর্ণিল করে তোলা এই পদ্মার তীরে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছে বিভিন্ন বয়সের হাজারো মানুষ। উৎসব দেখতে ফরিদপুর শহর ছাড়াও এসেছেন বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলার লোকজন। সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে এলে শত শত ফানুস উড়িয়ে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ মাতিয়ে দেন।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে বর্ণিল ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রির চর ইউনিয়নের ধলার মোড় এলাকায় পদ্মা নদীর পারে অনুষ্ঠিত হয় ঘুড়ি উৎসব। ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই মাঘ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনের আয়োজনে ঘুড়ি উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল ‘চলো হারাই শৈশবে’।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জনাব মো. কামরুল আহসান তালুকদার, পিএএ, জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মোর্শেদ আলী, পিপিএম, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর।

এসময় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের ফুল এবং ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ। উৎসবে শতাধিক প্রতিযোগী বিভিন্ন আকার, আকৃতি ও রং – বেরঙের ঘুড়ি নিয়ে অংশ নেন। উল্লেখযোগ্য আকৃতির ঘুড়ির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা, মাছ, ঈগল, লেজযুক্ত ঘুড়ি ও হাজারী গোলাপ প্রভৃতি। হাজারী গোলাপ ঘুড়িটি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। উৎসবের অন্যতম আয়োজক ‘ফরিদপুর সিটি’ ফেসবুক পেইজের এমদাদুল হাসান বলেন, ‘আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া উৎসবগুলো পুনরায় জনপ্রিয় করে তোলার জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। এ উৎসবে বিজয়ী ২০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হবে।’ নীল আকাশকে বর্ণিল করে তোলা এই পদ্মার তীরে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছে বিভিন্ন বয়সের হাজারো মানুষ। উৎসব দেখতে ফরিদপুর শহর ছাড়াও এসেছেন বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলার লোকজন। সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে এলে শত শত ফানুস উড়িয়ে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ মাতিয়ে দেন।