ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহিলা লীগ নেত্রীর লাশের সামনে রামদা হাতে বিএনপি নেতা!

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 571

ঝালকাঠি জেলার যুব মহিলা লীগ নেত্রী সারমিন মৌসুমি কেকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কক্ষের মধ্যে পড়ে ছিল ওই নেত্রীর লাশ। আর ওই কক্ষের সামনে রামদা নিয়ে বসে ছিলেন তার স্বামী বরিশাল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা হিরন আহমেদ লিটু।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর সদর রোড টাউন হলের সামনে কেকার শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। রাত ৯টায় লাশটি উদ্ধার হলেও বিকাল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

কেকা নগরীর সদর রোড এলাকার বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা হিরন আহমেদ লিটুর স্ত্রী। তিনি ঝালকাঠি জেলার যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

সাবেক এই প্রভাবশালী নেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে নগরীজুড়ে।

কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আব্দুল মাজেদ জানান, আমরা সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি একটি রুমের ভেতরে লাশটি পড়ে আছে। আমাদের সিনিয়র কর্মকর্তারা এলে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। তবে তারা সংবাদ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নিহতের শরীরের কয়েকটি স্থানে আঘাতজনিত ক্ষত চিহ্ন দেখা গেছে।

কেকার ভাই টুটুল বলেন, কেকাকে হত্যা করেছে তার স্বামী ও তার পরিবার। মৃত্যুর খবর চাপা রাখতে কাউকে জানায়নি কেকার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এমনকি আমরা উপস্থিত হয়ে দেখতে পাই- যে রুমের ভেতরে কেকার লাশ, সেই রুমের সামনে লিটু একটি রামদা নিয়ে বসে আছে। রুমে কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। পুলিশ আসার পর রুমে প্রবেশ করি। এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন তারা।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, সদর রোড থেকে কেকা নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিবার যদি লিখিত অভিযোগ দেয়, সেই মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মহিলা লীগ নেত্রীর লাশের সামনে রামদা হাতে বিএনপি নেতা!

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ঝালকাঠি জেলার যুব মহিলা লীগ নেত্রী সারমিন মৌসুমি কেকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কক্ষের মধ্যে পড়ে ছিল ওই নেত্রীর লাশ। আর ওই কক্ষের সামনে রামদা নিয়ে বসে ছিলেন তার স্বামী বরিশাল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা হিরন আহমেদ লিটু।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর সদর রোড টাউন হলের সামনে কেকার শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। রাত ৯টায় লাশটি উদ্ধার হলেও বিকাল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

কেকা নগরীর সদর রোড এলাকার বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা হিরন আহমেদ লিটুর স্ত্রী। তিনি ঝালকাঠি জেলার যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

সাবেক এই প্রভাবশালী নেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে নগরীজুড়ে।

কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই আব্দুল মাজেদ জানান, আমরা সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি একটি রুমের ভেতরে লাশটি পড়ে আছে। আমাদের সিনিয়র কর্মকর্তারা এলে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। তবে তারা সংবাদ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নিহতের শরীরের কয়েকটি স্থানে আঘাতজনিত ক্ষত চিহ্ন দেখা গেছে।

কেকার ভাই টুটুল বলেন, কেকাকে হত্যা করেছে তার স্বামী ও তার পরিবার। মৃত্যুর খবর চাপা রাখতে কাউকে জানায়নি কেকার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এমনকি আমরা উপস্থিত হয়ে দেখতে পাই- যে রুমের ভেতরে কেকার লাশ, সেই রুমের সামনে লিটু একটি রামদা নিয়ে বসে আছে। রুমে কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। পুলিশ আসার পর রুমে প্রবেশ করি। এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন তারা।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, সদর রোড থেকে কেকা নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিবার যদি লিখিত অভিযোগ দেয়, সেই মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।