ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোজার আগেই বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট, বোতলজাত তেল ড্রামে ভরে বিক্রি

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 119

আসন্ন রমজান মাসে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে ৬ থেকে ৭টি কোম্পানি। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ভোক্তাদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর কারসাজি:

সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরপরই কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। বাজারে সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে তারা।

খুচরা বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য:

খুচরা বিক্রেতারাও পিছিয়ে নেই। তারা প্রতি লিটারে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেশি লাভের আশায় বোতলজাত তেল ড্রামে ভরে বিক্রি করছেন। এতে বোতলজাত তেলের সংকট আরও বাড়ছে।

দাম বাড়ার চিত্র:

রাজধানীর বাজারগুলোতে বোতলজাত তেল প্রায় পাওয়াই যাচ্ছে না। কোথাও পাওয়া গেলেও দাম বেশি রাখা হচ্ছে। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। খোলা সয়াবিন তেলও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

অভিযোগ:

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, “দেশে সয়াবিন তেলের সংকটের কোনো কারণ নেই। মূলত দাম বাড়াতে কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে সংকট তৈরি করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাজারে যে পরিমাণে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে, তাও খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি লাভের আশায় ড্রামে ভরে বিক্রি করছেন। এসব বিষয়ে বাজার তদারকি সংস্থার গাছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। সব মিলে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তা।”

সরবরাহের চিত্র:

বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সংকটের কথা বলা হলেও বাস্তবে চলতি অর্থবছরে আগের অর্থবছরের চেয়ে বেশি ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্র জানায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় এক লাখ টনের বেশি ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রোজার আগেই বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট, বোতলজাত তেল ড্রামে ভরে বিক্রি

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আসন্ন রমজান মাসে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে ৬ থেকে ৭টি কোম্পানি। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ভোক্তাদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর কারসাজি:

সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরপরই কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। বাজারে সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে তারা।

খুচরা বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য:

খুচরা বিক্রেতারাও পিছিয়ে নেই। তারা প্রতি লিটারে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেশি লাভের আশায় বোতলজাত তেল ড্রামে ভরে বিক্রি করছেন। এতে বোতলজাত তেলের সংকট আরও বাড়ছে।

দাম বাড়ার চিত্র:

রাজধানীর বাজারগুলোতে বোতলজাত তেল প্রায় পাওয়াই যাচ্ছে না। কোথাও পাওয়া গেলেও দাম বেশি রাখা হচ্ছে। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। খোলা সয়াবিন তেলও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

অভিযোগ:

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, “দেশে সয়াবিন তেলের সংকটের কোনো কারণ নেই। মূলত দাম বাড়াতে কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে সংকট তৈরি করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাজারে যে পরিমাণে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে, তাও খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি লাভের আশায় ড্রামে ভরে বিক্রি করছেন। এসব বিষয়ে বাজার তদারকি সংস্থার গাছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। সব মিলে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তা।”

সরবরাহের চিত্র:

বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সংকটের কথা বলা হলেও বাস্তবে চলতি অর্থবছরে আগের অর্থবছরের চেয়ে বেশি ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্র জানায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের চেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় এক লাখ টনের বেশি ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।