ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সদরপুর রেনু পোনা ও মা মাছ নিধন রোধে নির্বেকার মৎস্য অধিদপ্তর!

মিজানুর রহমান সদরপুর
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩
  • / 438

ফরিদপুরের সদরপুরের অবাধে রেনু-পোন ও মা মাছ নিধনের কর্মযজ্ঞ চললেও শিকার রোধে নির্বেকার উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে চায়না দোয়ারিসহ বিভিন্ন ধরনের জাল দিয়ে মা মাছ ও রেনু পোনা নিধনের মহোৎসব চলছে। দিনরাত অবাধে মাছ শিকার চললেও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কার্যকারী কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার অকোটেরচর ইউনিয়নের পদ্মার সংযোগ খাল ও ঢেউখালী ইউনিয়নের আড়িয়াল খা নদে চায়না দোয়ারি, কারেন্ট জাল, মশারি জাল দিয়ে দিন রাত মা মাছ ও রেনু পোনা নিধন করা হচ্ছে। এছাড়া পদ্মার ও ভূবনেশ^রের সংযোগ স্থল পিয়াজখালী সুইচ গেট, শয়তানখালী ঘাট ও চৈতার কোল এলাকায় লাখ লাখ চায়না দোয়ারি ও আড়াআড়ি বাদে বেষ্টিত।

আকোটের চর এলাকার গফুর মাতুব্বর নামে এক জন জানায়, বর্তমানে নানা ধরনের দেশী-বিদেশী জালের কারণে দেশীয় মাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এই মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

চন্দ্রপাড়া ঘাটের রাজ্জাক শেখ বলেন, এসব চায়না দোয়ারি ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ না হলে দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। প্রতিদিন সকালে চন্দ্রপাড়া ঘাটে রেনু পোনার বাজার বসে। প্রশাসনের চোখে কেন পড়ছে না বুঝিনা। এভাবে শিকার চলতে থাকলে এক সময় দেশী প্রজাতির মাছ বিপন্ন হয়ে যাবে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম.এম জাহাঙ্গীর কবির জানান, আমরা কিছুদিন আগে একবার অভিযান পরিচালা করেছি। আমাদের দপ্তরে জনবল সংকটের কারণে সময় মত আভিযান পরিচালনা করতে পরি না। তবে শীঘ্রই আমরা মা মাছ ও রেনু পোনা শিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ট্যাগস :

সদরপুর রেনু পোনা ও মা মাছ নিধন রোধে নির্বেকার মৎস্য অধিদপ্তর!

আপডেট সময় : ১২:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

ফরিদপুরের সদরপুরের অবাধে রেনু-পোন ও মা মাছ নিধনের কর্মযজ্ঞ চললেও শিকার রোধে নির্বেকার উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে চায়না দোয়ারিসহ বিভিন্ন ধরনের জাল দিয়ে মা মাছ ও রেনু পোনা নিধনের মহোৎসব চলছে। দিনরাত অবাধে মাছ শিকার চললেও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কার্যকারী কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার অকোটেরচর ইউনিয়নের পদ্মার সংযোগ খাল ও ঢেউখালী ইউনিয়নের আড়িয়াল খা নদে চায়না দোয়ারি, কারেন্ট জাল, মশারি জাল দিয়ে দিন রাত মা মাছ ও রেনু পোনা নিধন করা হচ্ছে। এছাড়া পদ্মার ও ভূবনেশ^রের সংযোগ স্থল পিয়াজখালী সুইচ গেট, শয়তানখালী ঘাট ও চৈতার কোল এলাকায় লাখ লাখ চায়না দোয়ারি ও আড়াআড়ি বাদে বেষ্টিত।

আকোটের চর এলাকার গফুর মাতুব্বর নামে এক জন জানায়, বর্তমানে নানা ধরনের দেশী-বিদেশী জালের কারণে দেশীয় মাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এই মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

চন্দ্রপাড়া ঘাটের রাজ্জাক শেখ বলেন, এসব চায়না দোয়ারি ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ না হলে দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। প্রতিদিন সকালে চন্দ্রপাড়া ঘাটে রেনু পোনার বাজার বসে। প্রশাসনের চোখে কেন পড়ছে না বুঝিনা। এভাবে শিকার চলতে থাকলে এক সময় দেশী প্রজাতির মাছ বিপন্ন হয়ে যাবে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম.এম জাহাঙ্গীর কবির জানান, আমরা কিছুদিন আগে একবার অভিযান পরিচালা করেছি। আমাদের দপ্তরে জনবল সংকটের কারণে সময় মত আভিযান পরিচালনা করতে পরি না। তবে শীঘ্রই আমরা মা মাছ ও রেনু পোনা শিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।