শুক্রবার সকালে ফরিদপুর শহরের হঠাৎ বাজার এলাকার সড়কের পাশে সরকারি খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একটি পক্ষ জেলে ভাড়া করে মাছ ধরতে গেলে, অন্য পক্ষ তাদের বাধা দেয়।
পুলিশের হস্তক্ষেপ:
স্থানীয় লোকজন দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করেন এবং বিষয়টি কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ উভয় পক্ষকে সংঘর্ষে না জড়িয়ে সমঝোতায় আসতে বলে এবং জমির প্রকৃত মালিকানা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়।
জমির মালিকানা ও অভিযোগ:
দক্ষিণ চর মাধবদিয়ার ১৪২ নম্বর মৌজার রাস্তার ধারে সরকারি খালের মাছ ধরা নিয়ে এই দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। প্রথম পক্ষের বিজয় হাসানের দাবি, এটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড রাস্তা তৈরি করলেও সেখানে তাদের জমি রয়েছে। তাদের অভিযোগ, মজিবর মোল্লা ও কুদ্দুস মোল্লা ১৭ বছর ধরে তাদের জমিতে আসতে বাধা দিয়েছেন।
দ্বিতীয় পক্ষের বক্তব্য:
দ্বিতীয় পক্ষের কুদ্দুস মোল্লা জানান, তিনি গত বছর ৩৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং জমির মালিক তাকে দখল বুঝিয়ে দিলে তিনি সেখানে যান। দখলে আসার পর প্রথম পক্ষ তাকে বাধা দেয়।
অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ:
বিজয় হাসান অভিযোগ করেন, মজিবর মোল্লার ছেলে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ বিভিন্ন সময় ক্ষমতার প্রভাব দেখান এবং আজকেও রামদা নিয়ে হামলা করতে এসেছিলেন। তিনি অম্বিকাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশের পদক্ষেপ:
পুলিশ জমির দলিলপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলেছে।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:
এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।