ফরিদপুর বিষাক্ত কেমিক্যালে তৈরি জুস কারখানায় অভিযান ও জরিমানা
- আপডেট সময় : ১১:১৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪
- / 238
ফরিদপুর নকল শিশুখাদ্য, ফলের জুস তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর শহরের মামুদপুর এলাকায়। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই-এর দেওয়া এমন তথ্যের ভিত্তিতে কারখানাটিতে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যান কারখানার মালিক মো. লিটন মিয়া। সেখান থেকে বিপুল পরিমান ভেজাল জুস ও বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে আদালত। অবৈধভাবে আয়ুর্বেদিক ঔষধ তৈরি করায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কারখানাটি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর পৌরসভার মাহমুদপুর এলাকার ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের পাশে মৃত নাছিরুজ্জামানের বাড়িটি ভাড়া নিয়ে সেখানে নকল পণ্য তৈরী করছিল জনৈক লিটন মিয়া। বাড়ির ভেতরে কয়েকটি রুমে বসানো হয়েছে বিভিন্ন মেশিন। সেখানেই চলছিল বিষাক্ত ক্যামিকেল ও বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে জুস তৈরির কাজ। অভিযানকালে ওই বাড়িতে অবৈধভাবে আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করারও একটি কারখানা পাওয়া যায়। সেখানে তাদের ল্যাবসহ ছিল বোতলজাত ও প্যাকেজিংয়ের ব্যাবস্থা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানাটিতে কয়েকজন নারী ও পুরুষ শ্রমিক কাজ করছেন। তারা জুস বোতলজাত করছেন, কেউবা প্যাকেজিং করছেন। নোংরা পরিবেশে কেমিকেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব জুস। বোতলজাত শেষে বিভিন্ন নামীদামী কোম্পানির লেভেল লাগানো হচ্ছে। লিচু, ম্যাংগো জুস ছাড়াও বিভিন্ন চকলেটও প্যাকেট করা হচ্ছে। পাশাপাশি আয়ুর্বেদিক এ্যালকুলিসহ বিভিন্ন ওষুধও বোতলজাত করা হচ্ছিল এখানে।
চার ড্রাম ভর্তি পানীয়, সাত হাজার লেভেল, খালী বোতল ৫ হাজার, ৪ হাজার চকলেট, রোবো লেভেল ৩ হাজার, স্পিড রোবো লেভেল ১০ হাজার।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মুজিবুল ইসলাম জানান, কেমিকেল দিয়ে পানি মিশিয়ে নকল জুস ও গরম থেকে বাঁচতে নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান নকল শিশু খাদ্য ও ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় পুলিশের একটি টিম ও স্যানেটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।



















