ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর গুলশানের নিকেতন এলাকায় রাসেল আহমেদ (৩২) নামে এক গাড়িচালকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি তার পরিবার ও সহকর্মীদের।

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল গাড়িচালকের মরদেহ

হায়দার আলী
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 265

প্রতীকী ছবি

রোববার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নিকেতন এলাকায় ১২ নম্বর রোডে একটি ভবনের পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটে

মারা যাওয়া রাসেলের বাড়ি শরিয়তপুরের ডামুড্ডা উপজেলার চরবয়রা গ্রামে। বাবার নাম মো. খোরশেদ। নিকেতনের ওই ভবনে চিশতী গ্রুপের গাড়িচালক ছিলেন তিনি।
 
প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জানান, রোববার রাতে সহকর্মীরা তার রুমের দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরে আশপাশের ভাড়াটিয়া এবং দারোয়ানের মাধ্যমে দরজা ভাঙ্গা হয়। এরপর ভেতরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল, সেখান থেকে মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:ফরিদপুর পৌর বাস টার্মিনালে ফেলে যাওয়া লাগেজ থেকে লাশ উদ্ধার

রাসেলের ছোট ভাই মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, সাত-আট মাস আগে তার বড় ভাই রাসেল বিয়ে করেছেন। তবে তার স্ত্রীর নানান সমস্যা থাকার কারণে তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। দেড় মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন রাসেল। রোববার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই তার সহকর্মীরের মাধ্যমে জানতে পারেন, গলায় ফাঁস দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীকালে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান। 
 
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি গুলশান থানায় অবগত করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশানের নিকেতন এলাকায় রাসেল আহমেদ (৩২) নামে এক গাড়িচালকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি তার পরিবার ও সহকর্মীদের।

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল গাড়িচালকের মরদেহ

আপডেট সময় : ১২:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

রোববার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নিকেতন এলাকায় ১২ নম্বর রোডে একটি ভবনের পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটে

মারা যাওয়া রাসেলের বাড়ি শরিয়তপুরের ডামুড্ডা উপজেলার চরবয়রা গ্রামে। বাবার নাম মো. খোরশেদ। নিকেতনের ওই ভবনে চিশতী গ্রুপের গাড়িচালক ছিলেন তিনি।
 
প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জানান, রোববার রাতে সহকর্মীরা তার রুমের দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরে আশপাশের ভাড়াটিয়া এবং দারোয়ানের মাধ্যমে দরজা ভাঙ্গা হয়। এরপর ভেতরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল, সেখান থেকে মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:ফরিদপুর পৌর বাস টার্মিনালে ফেলে যাওয়া লাগেজ থেকে লাশ উদ্ধার

রাসেলের ছোট ভাই মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, সাত-আট মাস আগে তার বড় ভাই রাসেল বিয়ে করেছেন। তবে তার স্ত্রীর নানান সমস্যা থাকার কারণে তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। দেড় মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন রাসেল। রোববার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই তার সহকর্মীরের মাধ্যমে জানতে পারেন, গলায় ফাঁস দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীকালে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান। 
 
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি গুলশান থানায় অবগত করা হয়েছে।