ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরের গহীনে ধরা পড়লো ১৫২ কেজির দৈত্য ভোল পোয়া, সদরঘাটে হৈচৈ

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম:
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 368

বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি ফিশিং ভ্যাসেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল জাতের ১৫২ কেজি ওজনের ভোল পোয়া মাছ। দৈত্যাকার মাছটির দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ ফুট।

ভ্যাসেল থেকে মাছটি দেড় লাখ টাকায় কিনে শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের সদরঘাট বাজারে আনা হয়। বাজারে বিশাল আকৃতির মাছটি দেখে ব্যাপক হৈচৈ শুরু হয়। মাছটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।

ভ্যাসেল থেকে মাছটি কিনে আনা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রুবেল বলেন, “গত পরশু মাছটি ধরা পড়ে। আজ সকালে ওই ভ্যাসেল থেকেই মাছটি বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়। আমরা সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেই।”

তিনি আরও জানান, “এত বড় ভোল পোয়া মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। গত বছর কক্সবাজারের টেকনাফে এবং কুয়াকাটায় দুটি বড় ভোল মাছ ধরা পড়েছিল। গভীর সমুদ্রের এই মাছ খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।”

ব্যবসায়ী রুবেল বলেন, “শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মাছটি কেটে প্রতি কেজি এক হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। ইতিমধ্যে ৬০ কেজির মতো মাছ বিক্রি হয়ে গেছে।”

বঙ্গোপসাগরের গহীনে ধরা পড়লো ১৫২ কেজির দৈত্য ভোল পোয়া, সদরঘাটে হৈচৈ

আপডেট সময় : ০৫:০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি ফিশিং ভ্যাসেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল জাতের ১৫২ কেজি ওজনের ভোল পোয়া মাছ। দৈত্যাকার মাছটির দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ ফুট।

ভ্যাসেল থেকে মাছটি দেড় লাখ টাকায় কিনে শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের সদরঘাট বাজারে আনা হয়। বাজারে বিশাল আকৃতির মাছটি দেখে ব্যাপক হৈচৈ শুরু হয়। মাছটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।

ভ্যাসেল থেকে মাছটি কিনে আনা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রুবেল বলেন, “গত পরশু মাছটি ধরা পড়ে। আজ সকালে ওই ভ্যাসেল থেকেই মাছটি বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়। আমরা সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেই।”

তিনি আরও জানান, “এত বড় ভোল পোয়া মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। গত বছর কক্সবাজারের টেকনাফে এবং কুয়াকাটায় দুটি বড় ভোল মাছ ধরা পড়েছিল। গভীর সমুদ্রের এই মাছ খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।”

ব্যবসায়ী রুবেল বলেন, “শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মাছটি কেটে প্রতি কেজি এক হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। ইতিমধ্যে ৬০ কেজির মতো মাছ বিক্রি হয়ে গেছে।”