ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোটরসাইকেল না পেয়ে ফরিদপুরে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 323

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ার কারণে অভিমান করে নাহিদ বিশ্বাস (১৭) নামের এক কলেজছাত্র আত্মহত্যা করেছে। সোমবার (পহেলা বৈশাখ) সকাল পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার বানা ইউনিয়নের বেলবানা গ্রামের নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

একমাত্র ছেলে, পড়াশোনায় মনোযোগী

নাহিদ ছিলেন ব্যাটালিয়ন আনসারে কর্মরত মোস্তাক আহমেদের একমাত্র ছেলে। ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়তেন তিনি। পরিবারের আশার আলো এই তরুণের এমন পরিণতি হতবাক করে দিয়েছে পুরো এলাকাকে।

দরজা বন্ধ করে ঝুলে পড়ে

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাহিদ নিজের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেয়। মা লাকী বেগম দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে ছেলের নাম ধরে ডাকতে থাকেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো শব্দ না আসায় তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখতে পান, নাহিদ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা

তড়িঘড়ি করে তাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, নাহিদ তখনই মারা গেছে।

তদন্তে পুলিশ, মামলা দায়ের

খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা-পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, নাহিদের বাবা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

ট্যাগস :

মোটরসাইকেল না পেয়ে ফরিদপুরে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ার কারণে অভিমান করে নাহিদ বিশ্বাস (১৭) নামের এক কলেজছাত্র আত্মহত্যা করেছে। সোমবার (পহেলা বৈশাখ) সকাল পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার বানা ইউনিয়নের বেলবানা গ্রামের নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

একমাত্র ছেলে, পড়াশোনায় মনোযোগী

নাহিদ ছিলেন ব্যাটালিয়ন আনসারে কর্মরত মোস্তাক আহমেদের একমাত্র ছেলে। ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়তেন তিনি। পরিবারের আশার আলো এই তরুণের এমন পরিণতি হতবাক করে দিয়েছে পুরো এলাকাকে।

দরজা বন্ধ করে ঝুলে পড়ে

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাহিদ নিজের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেয়। মা লাকী বেগম দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে ছেলের নাম ধরে ডাকতে থাকেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো শব্দ না আসায় তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখতে পান, নাহিদ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা

তড়িঘড়ি করে তাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, নাহিদ তখনই মারা গেছে।

তদন্তে পুলিশ, মামলা দায়ের

খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা-পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, নাহিদের বাবা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।”