ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধ না মানলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে: জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 209

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ একটি বড় অর্জন এবং এটি অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। তিনি আরও বলেন, দেশের আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনেই তার দল রাজনীতি করে আসছে।

মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অবস্থান

রোববার বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হামিদুর রহমান আযাদ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ আমাদের অর্জন, বারবার বলেছি। বাংলাদেশকে মেনে নিয়েই কিন্তু সবাই রাজনীতি করছে, আমরাও তা-ই। সুতরাং এখানে পেছনের কথা টানার কোনো সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধ না মানলে বাংলাদেশকে তো অস্বীকার করা হয়ে যাবে।”

তিনি আরও জানান, তারা বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান মেনে রাজনীতিতে আছেন এবং অতীতের বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার কোনো কারণ নেই।

জুলাই সনদ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন

জামায়াতের এই নেতা মনে করেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন তখনই সম্ভব, যখন তা ‘জুলাই সনদের’ আইনি ভিত্তির ওপর অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ফেব্রুয়ারি মাসেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

তিনি বলেন, “আমরা আগামী দিনের যে একটা ক্রেডিবল ইলেকশনের কথা বলছি, সুষ্ঠু এবং ইতিহাসের সেরা নির্বাচনের কথা বলছি, সবটাই সম্ভব হবে যদি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিতে নির্বাচন হয়। এটাও বলেছি, আমরা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চাই। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে।”

আইনি ভিত্তি ও গণভোটের প্রস্তাব

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ যদি আইনি প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় দলিল হিসেবে স্বীকৃতি না পায়, তাহলে সুশাসন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। সনদটি যেন ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জের মুখে না পড়ে, সেজন্য সংবিধানে এর শক্তিশালী আইনি ভিত্তি থাকা আবশ্যক।

তিনি প্রস্তাব করেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী জনগণের পরম অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে যদি একটি সাংবিধানিক আদেশ (কনস্টিটিউশনাল অর্ডার) জারি করা হয়, তাহলে এই সনদটি সবচেয়ে শক্তিশালী হবে। এটিকে আরও শক্তিশালী করতে গণভোট (রেফারেন্ডাম) দেওয়ার কথাও বলেন তিনি, যাতে কোনোভাবেই এটি চ্যালেঞ্জ করা না যায়।

মুক্তিযুদ্ধ না মানলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে: জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা

আপডেট সময় : ১২:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ একটি বড় অর্জন এবং এটি অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। তিনি আরও বলেন, দেশের আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনেই তার দল রাজনীতি করে আসছে।

মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অবস্থান

রোববার বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হামিদুর রহমান আযাদ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ আমাদের অর্জন, বারবার বলেছি। বাংলাদেশকে মেনে নিয়েই কিন্তু সবাই রাজনীতি করছে, আমরাও তা-ই। সুতরাং এখানে পেছনের কথা টানার কোনো সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধ না মানলে বাংলাদেশকে তো অস্বীকার করা হয়ে যাবে।”

তিনি আরও জানান, তারা বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান মেনে রাজনীতিতে আছেন এবং অতীতের বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার কোনো কারণ নেই।

জুলাই সনদ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন

জামায়াতের এই নেতা মনে করেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন তখনই সম্ভব, যখন তা ‘জুলাই সনদের’ আইনি ভিত্তির ওপর অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ফেব্রুয়ারি মাসেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

তিনি বলেন, “আমরা আগামী দিনের যে একটা ক্রেডিবল ইলেকশনের কথা বলছি, সুষ্ঠু এবং ইতিহাসের সেরা নির্বাচনের কথা বলছি, সবটাই সম্ভব হবে যদি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিতে নির্বাচন হয়। এটাও বলেছি, আমরা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চাই। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে।”

আইনি ভিত্তি ও গণভোটের প্রস্তাব

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ যদি আইনি প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় দলিল হিসেবে স্বীকৃতি না পায়, তাহলে সুশাসন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। সনদটি যেন ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জের মুখে না পড়ে, সেজন্য সংবিধানে এর শক্তিশালী আইনি ভিত্তি থাকা আবশ্যক।

তিনি প্রস্তাব করেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী জনগণের পরম অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে যদি একটি সাংবিধানিক আদেশ (কনস্টিটিউশনাল অর্ডার) জারি করা হয়, তাহলে এই সনদটি সবচেয়ে শক্তিশালী হবে। এটিকে আরও শক্তিশালী করতে গণভোট (রেফারেন্ডাম) দেওয়ার কথাও বলেন তিনি, যাতে কোনোভাবেই এটি চ্যালেঞ্জ করা না যায়।