ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শপিং মলে প্রেম, বাংলার বধু হয়ে এলেন মালয়ী তরুণী

রুমা হাসিন
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩
  • / 383

মালয়েশিয়ান মুসলিম আজি ফাজিরা বিনতে আব্দুল আজিজের সাথে সেখানকার একটি শপিং মলে পরিচয় হয় সুদর্শন প্রবাসী বাঙালি যুবক জাফর মাতুব্বরের। চার বছর আগে পরিবারের সম্মতিতে দু’জনের বিয়ে হয়। এরপর এবারই প্রথম শ্বশুরালয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের কররা গ্রামে এসেছেন। তার আসার খবরে এলাকার মানুষও কৌতুহলী হয়ে ছুটে যাচ্ছেন দেখতে।

আজি ফাজিরা খুবই বিমোহিত এতে। তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষ খুবই ভালো। তারা খুবই আন্তরিক-সুন্দর। এখানকার খাবার তার খুব পছন্দ হয়েছে। প্রশংসা করলেন সুস্বাদু খাবারের। তিনি বলেন, এই সুন্দর পরিবেশ আমায় অতি আপন করে নিয়েছে। সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ও কুয়াকাটা, সোনারগাঁ সহ দর্শনীয় স্থান ঘুরতে দেখার ইচ্ছে।

জাফর মাতুব্বর কয়েক মাস আগে দেশে এসেছেন। অনেকদিন ধরেই তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী। কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে বিমানে চড়ে গত বুধবার ঢাকার হজরত শাহজালাল রহ.আন্তর্জাতিক বন্দরে পৌছেন তার স্ত্রী আজি ফাজিরা। বিমানবন্দরে সানন্দে সম্ভাষণ জানিয়ে পরের দিন বধুকে নিয়ে আসেন কররা গ্রামের পিত্রালয়ে।

জাফর বলেন,‘আমাদের পরিচয় ও সম্পর্ক অনেকদিনের। আমরা দু’জনার পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করি। কয়েক মাস আগে আমি দেশে এসেছি। আবার মালয়েশিয়া ফিরে যাবো কয়েকদিন থেকে।
জাফরের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম নিঝুম বলেন, সকাল থেকে অনেক মানুষ এ খবর শুনে আমাদের বাড়ি আসছেন। তারা ভাবীকে দেখে খুশি। তার আচার-ব্যবহার খুবই মুগ্ধ করেছে সকলকে। তিনি মালয়েশীয় ও ইংরেজি ভাষায় ভালো কথা বলতে পারেন। আমরা তাকে বাংলা ভাষা শেখাচ্ছি।

আমাদের দেশ সম্পর্কে তাকে জানাচ্ছি।
সোহাগ মাতুব্বর নামে জাফরের এক প্রতিবেশী ছোট ভাই বলেন, ‘মালয়ী তরুণীর বধু হয়ে আসার খবরে এলাকায় মানুষের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, এমন একটি খবর শুনেছি লোকজনের কাছে। তবে যাওয়া হয়নি এখনো।

ট্যাগস :

শপিং মলে প্রেম, বাংলার বধু হয়ে এলেন মালয়ী তরুণী

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩

মালয়েশিয়ান মুসলিম আজি ফাজিরা বিনতে আব্দুল আজিজের সাথে সেখানকার একটি শপিং মলে পরিচয় হয় সুদর্শন প্রবাসী বাঙালি যুবক জাফর মাতুব্বরের। চার বছর আগে পরিবারের সম্মতিতে দু’জনের বিয়ে হয়। এরপর এবারই প্রথম শ্বশুরালয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের কররা গ্রামে এসেছেন। তার আসার খবরে এলাকার মানুষও কৌতুহলী হয়ে ছুটে যাচ্ছেন দেখতে।

আজি ফাজিরা খুবই বিমোহিত এতে। তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষ খুবই ভালো। তারা খুবই আন্তরিক-সুন্দর। এখানকার খাবার তার খুব পছন্দ হয়েছে। প্রশংসা করলেন সুস্বাদু খাবারের। তিনি বলেন, এই সুন্দর পরিবেশ আমায় অতি আপন করে নিয়েছে। সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ও কুয়াকাটা, সোনারগাঁ সহ দর্শনীয় স্থান ঘুরতে দেখার ইচ্ছে।

জাফর মাতুব্বর কয়েক মাস আগে দেশে এসেছেন। অনেকদিন ধরেই তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী। কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে বিমানে চড়ে গত বুধবার ঢাকার হজরত শাহজালাল রহ.আন্তর্জাতিক বন্দরে পৌছেন তার স্ত্রী আজি ফাজিরা। বিমানবন্দরে সানন্দে সম্ভাষণ জানিয়ে পরের দিন বধুকে নিয়ে আসেন কররা গ্রামের পিত্রালয়ে।

জাফর বলেন,‘আমাদের পরিচয় ও সম্পর্ক অনেকদিনের। আমরা দু’জনার পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করি। কয়েক মাস আগে আমি দেশে এসেছি। আবার মালয়েশিয়া ফিরে যাবো কয়েকদিন থেকে।
জাফরের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম নিঝুম বলেন, সকাল থেকে অনেক মানুষ এ খবর শুনে আমাদের বাড়ি আসছেন। তারা ভাবীকে দেখে খুশি। তার আচার-ব্যবহার খুবই মুগ্ধ করেছে সকলকে। তিনি মালয়েশীয় ও ইংরেজি ভাষায় ভালো কথা বলতে পারেন। আমরা তাকে বাংলা ভাষা শেখাচ্ছি।

আমাদের দেশ সম্পর্কে তাকে জানাচ্ছি।
সোহাগ মাতুব্বর নামে জাফরের এক প্রতিবেশী ছোট ভাই বলেন, ‘মালয়ী তরুণীর বধু হয়ে আসার খবরে এলাকায় মানুষের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, এমন একটি খবর শুনেছি লোকজনের কাছে। তবে যাওয়া হয়নি এখনো।