ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত আছে ১৪ দিনের: বিপিসি

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 367

দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি ঠিক কেমন, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বর্তমান চিত্রটি তুলে ধরেন।

কত দিনের তেল মজুত আছে?

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে সব মিলিয়ে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। পণ্যভেদে এই মজুত দিয়ে কত দিন চলবে তার একটি হিসাব দিয়েছে বিপিসি:

ডিজেল: ১৪ দিন

অকটেন: ২৮ দিন

পেট্রোল: ১৫ দিন

জেড ফুয়েল: ৫৫ দিন

ফার্নেস অয়েল: ৯৩ দিন

দাম বাড়ার শঙ্কা নেই:

বিপিসি চেয়ারম্যান স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তাতে নিকট ভবিষ্যতে দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই। বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মাথায় রেখে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার পরিকল্পনা করছে।

সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পদক্ষেপ:

জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সোমবার পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি (LC) সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির প্রধান। তিনি আশ্বাস দেন যে, বর্তমান মজুত ও পাইপলাইনে থাকা তেল দিয়ে দেশের চাহিদা অনায়াসেই মেটানো সম্ভব হবে।

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত আছে ১৪ দিনের: বিপিসি

আপডেট সময় : ০২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি ঠিক কেমন, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বর্তমান চিত্রটি তুলে ধরেন।

কত দিনের তেল মজুত আছে?

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে সব মিলিয়ে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। পণ্যভেদে এই মজুত দিয়ে কত দিন চলবে তার একটি হিসাব দিয়েছে বিপিসি:

ডিজেল: ১৪ দিন

অকটেন: ২৮ দিন

পেট্রোল: ১৫ দিন

জেড ফুয়েল: ৫৫ দিন

ফার্নেস অয়েল: ৯৩ দিন

দাম বাড়ার শঙ্কা নেই:

বিপিসি চেয়ারম্যান স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তাতে নিকট ভবিষ্যতে দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই। বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মাথায় রেখে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার পরিকল্পনা করছে।

সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পদক্ষেপ:

জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সোমবার পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি (LC) সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির প্রধান। তিনি আশ্বাস দেন যে, বর্তমান মজুত ও পাইপলাইনে থাকা তেল দিয়ে দেশের চাহিদা অনায়াসেই মেটানো সম্ভব হবে।