ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঠে নামছে আওয়ামী লীগ: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা জারি

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 126

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি বিশেষ ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মো. কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সব মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজিকে (অপারেশনস) এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

সংঘর্ষ ও নাশকতার আশঙ্কা:

পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করতে পারে। এর ফলে বিদ্যমান অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ তৈরির তীব্র আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আওয়ামী লীগের এই ধরনের কার্যকলাপে বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপরও ক্ষুব্ধ হয়ে চড়াও হতে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ:

এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এই দলের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক ঝটিকা মিছিল, প্রচারপত্র বিতরণ ও উসকানিমূলক কর্মসূচিকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে আওয়ামী লীগের একটি ঝটিকা মিছিল থেকে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া, তার আগের দিন গণভবনের সামনে যুবলীগও একটি মিছিল করার চেষ্টা করে।

মাঠ পর্যায়ে কড়া নজরদারি:

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যাতে দেশের জননিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মাঠে নামছে আওয়ামী লীগ: দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ সতর্কতা জারি

আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি বিশেষ ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মো. কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সব মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজিকে (অপারেশনস) এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

সংঘর্ষ ও নাশকতার আশঙ্কা:

পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করতে পারে। এর ফলে বিদ্যমান অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ তৈরির তীব্র আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আওয়ামী লীগের এই ধরনের কার্যকলাপে বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপরও ক্ষুব্ধ হয়ে চড়াও হতে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ:

এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এই দলের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক ঝটিকা মিছিল, প্রচারপত্র বিতরণ ও উসকানিমূলক কর্মসূচিকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে আওয়ামী লীগের একটি ঝটিকা মিছিল থেকে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া, তার আগের দিন গণভবনের সামনে যুবলীগও একটি মিছিল করার চেষ্টা করে।

মাঠ পর্যায়ে কড়া নজরদারি:

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যাতে দেশের জননিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।