মাছচাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৫:০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
- / 62
কৃষিপ্রধান দেশের অর্থনীতির এক অন্যতম চালিকাশক্তি হলো মাৎস্যসম্পদ। কিন্তু এতদিন যেসব মাছচাষি রোদে পুড়ে ও জলে ভিজে দেশের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে এসেছেন, তাঁদের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা ও সহায়তার বৃত্তে সুনির্দিষ্টভাবে আনা সম্ভব হয়নি। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেশের মাছচাষিদের ভাগ্যবদলে বিশাল ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খুব শিগগিরই মাছচাষিদের ‘কৃষি কার্ড’-এর আওতায় আনা হচ্ছে!
রবিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আলোকোজ্জ্বল এক আয়োজনে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উদ্বোধন করার সময় এই ঐতিহাসিক বার্তা দেন তিনি। ‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই তেজস্বী স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদের বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
১৪ গুণীজনকে পদক ও মৎস্য খাতের বিশাল পরিসংখ্যান
কটিয়াদীর এই উদ্বোধনী মঞ্চে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের মোট ১৪ জন সফল ব্যক্তি ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের হাতে পরম শ্রদ্ধায় ‘জাতীয় মৎস্য পদক’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের মিঠাপানির মাছের অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৬ লাখ নারীসহ মোট ২ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই মৎস্য খাতের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এই খাতকে কেন্দ্র করে সুপরিকল্পিত ও আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
পোনা অবমুক্তকরণ ও জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা
রপ্তানির বাজার ধরে রেখে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে হিমায়িত চিংড়িসহ বিভিন্ন সুস্বাদু প্রজাতির মাছ বিদেশে পাঠিয় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে দেশ।
দেশের অভ্যন্তরীণ মৎস্য সম্পদকে দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে এক বিরাট মাস্টারপ্ল্যানের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের ছোট-বড় সমস্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। একই সাথে প্রকৃত জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে তাদের জন্য নিবন্ধিত পরিচয়পত্র প্রদান ও সার্বিক নিবন্ধন কার্যক্রম জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে।
















