ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে কাঁপছে ফরিদপুর, কুয়াশার সাথে ঝড়ছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি জনজীবন স্হবীর।

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৬:০৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 184

শীতে কাঁপছে ফরিদপুর।, কুয়াশার সাথে ঝড়ছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। জনজীবন স্হবীর।
ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র শীত বয়ে চলেছে ফরিদপুরে। সেই সঙ্গে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ও হচ্ছে। এ যেন মরার উপর খড়ার ঘাঁ।
সোমবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর থেকে এ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এমন অবস্থায় দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
পেঁয়াজ চাষিরাও উৎকণ্ঠায় আছেন। হঠাৎ এমন আবহাওয়ায় পেঁয়াজের হালির (চারা) মারাত্মক ক্ষতি হবে এমনটি আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি দিকে এসে দক্ষিণের জেলা ফরিদপুরে জেঁকে বসেছে এমন শীত। কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা পড়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই মানুষের। নিম্ম আয়ের মানুষ হয়ে পড়ছে আরও অসহায়।
রোববার (১৪ জানুয়ারি), ফরিদপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই জেলাটিতে তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। গত চারদিন ধরে অধিকাংশ সময়ই আকাশ থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। একই সঙ্গে রোববার ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি মতো পড়ছে। ১২ জানুয়ারি সূর্যের একবার দেখা যায় নি।১৩ জানুয়ারি ঘন্টা দুই হালকা আলোর মত দেখা গেলে বাকিটা সময় ছিল অন্ধকারে ডাকা। মাঝে মধ্যে সূর্য উঁকি দিলেও অধিকাংশ সময়েই থাকছে মেঘের আড়ালে। ঠাণ্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার মানুষ।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষও নাকাল হয়ে পড়েছেন। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্যের আলোর উত্তাপ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কমছে না শীতের তীব্রতা। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে অনেককে খড়কুটো জ্বালাতে দেখা গেলেও জেলা প্রশাসন থেকে শীতার্তদের তেমন সহযোগিতা করতে দেখা যায়নি। রবিবার একজন কামলা কাজ না পেয়ে কাবু হয়ে রাস্তা পাশেই শুয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রচন্ড শীতেও পাতলা একটি কম্বল গায়ে মুড়িয়ে বস্তার বালিশ এবং ফুটপাত কে বিছানা বানিয়ে ঘুমিয়ে ছিল জনৈক যুবক। ফরিদপুর কামলা হাটে জোন বিক্রি হতে আশা
কৃষক মবিন, সামচু ও ইয়ার মিয়া ইনকিলাব কে বলেন, অনেক ঠাণ্ডা। তার ওপর ঘন কুয়াশা বৃষ্টির মতো করে ঝিরিঝিরি পড়ছে। সন্ধ্যার পর ঠাণ্ডার দাপটে ঘর থেকে বেরোনো যাচ্ছে না। সকাল-সন্ধ্যা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে হচ্ছে। হতদরিদ্র লোকজনের অবস্থা চরম শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এছাড়া জমিতে রোপণকৃত পেঁয়াজের হালিতে পচন দেখা দিচ্ছে।

ফরিদপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এমন অবস্থা আরও দু’দিন থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :

শীতে কাঁপছে ফরিদপুর, কুয়াশার সাথে ঝড়ছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি জনজীবন স্হবীর।

আপডেট সময় : ০৬:০৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

শীতে কাঁপছে ফরিদপুর।, কুয়াশার সাথে ঝড়ছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। জনজীবন স্হবীর।
ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র শীত বয়ে চলেছে ফরিদপুরে। সেই সঙ্গে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ও হচ্ছে। এ যেন মরার উপর খড়ার ঘাঁ।
সোমবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর থেকে এ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এমন অবস্থায় দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
পেঁয়াজ চাষিরাও উৎকণ্ঠায় আছেন। হঠাৎ এমন আবহাওয়ায় পেঁয়াজের হালির (চারা) মারাত্মক ক্ষতি হবে এমনটি আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি দিকে এসে দক্ষিণের জেলা ফরিদপুরে জেঁকে বসেছে এমন শীত। কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা পড়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই মানুষের। নিম্ম আয়ের মানুষ হয়ে পড়ছে আরও অসহায়।
রোববার (১৪ জানুয়ারি), ফরিদপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই জেলাটিতে তীব্র শীত ও ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। গত চারদিন ধরে অধিকাংশ সময়ই আকাশ থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। একই সঙ্গে রোববার ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি মতো পড়ছে। ১২ জানুয়ারি সূর্যের একবার দেখা যায় নি।১৩ জানুয়ারি ঘন্টা দুই হালকা আলোর মত দেখা গেলে বাকিটা সময় ছিল অন্ধকারে ডাকা। মাঝে মধ্যে সূর্য উঁকি দিলেও অধিকাংশ সময়েই থাকছে মেঘের আড়ালে। ঠাণ্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার মানুষ।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষও নাকাল হয়ে পড়েছেন। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্যের আলোর উত্তাপ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কমছে না শীতের তীব্রতা। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে অনেককে খড়কুটো জ্বালাতে দেখা গেলেও জেলা প্রশাসন থেকে শীতার্তদের তেমন সহযোগিতা করতে দেখা যায়নি। রবিবার একজন কামলা কাজ না পেয়ে কাবু হয়ে রাস্তা পাশেই শুয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রচন্ড শীতেও পাতলা একটি কম্বল গায়ে মুড়িয়ে বস্তার বালিশ এবং ফুটপাত কে বিছানা বানিয়ে ঘুমিয়ে ছিল জনৈক যুবক। ফরিদপুর কামলা হাটে জোন বিক্রি হতে আশা
কৃষক মবিন, সামচু ও ইয়ার মিয়া ইনকিলাব কে বলেন, অনেক ঠাণ্ডা। তার ওপর ঘন কুয়াশা বৃষ্টির মতো করে ঝিরিঝিরি পড়ছে। সন্ধ্যার পর ঠাণ্ডার দাপটে ঘর থেকে বেরোনো যাচ্ছে না। সকাল-সন্ধ্যা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে হচ্ছে। হতদরিদ্র লোকজনের অবস্থা চরম শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এছাড়া জমিতে রোপণকৃত পেঁয়াজের হালিতে পচন দেখা দিচ্ছে।

ফরিদপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এমন অবস্থা আরও দু’দিন থাকতে পারে বলে জানান তিনি।