ছোট গল্প
কাকতালীয় ঘটনা
- আপডেট সময় : ০৭:৩২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- / 450
রহিমা বেগম। স্বামী পরিত্যক্তা ১ সন্তানের জননী। নিজ এলাকা ছেড়ে শহরে ১০ বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গৃহপরিচারিকার কাজ করে। মেয়ে তার আবাসস্থলের কাছে দুই শিফটে পরিচালিত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়েটির নাম মলি।
এখানে আমার পরিচয়টা দিয়ে রাখি। মলি যে বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে আমি সে বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির সহকারী শিক্ষক। আমিই উক্ত বিদ্যালয়ের ইউনিক আইডি, উপবৃত্তিসহ যাবতীয় অনলাইনের কাজ পরিচালনা করি।
নতুন শিক্ষাবর্ষে রফিক নামে এক ছাত্র আমার প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। ভর্তি হওয়ার সময় যথারীতি আমি তার অভিভাবকের কাছ থেকে ভর্তি হতে যে যে কাগজ-পত্র লাগে তা রাখি। যখন নতুন শিক্ষাবর্ষের ইউনিক আইডির কাজ করতে যাই তখন রফিকের বাবার নামটি এন্ট্রি দেয়ার সময় আমার মনে কেমন যেন একটা খটকা লাগে। বারবার মনে হচ্ছিল এই নামটি কোথায় যেন এন্ট্রি দিয়েছি। এখানে বলে রাখি, আমি যখন বা যে বছরের ইউনিক আইডির কাজ করি তার প্রতিবেদন ডাউনলোড করে রাখি। একরাতে আমার ঘুম আসছিলনা। শুয়ে শুয়ে আমি মোবাইলে বিগত বছরে ইউনিক আইডিতে এন্ট্রিকৃত শিক্ষার্থীর প্রোফাইল দেখছিলাম। তখনই আবিষ্কার করলাম মলির পিতা আর রফিকের পিতা একই ব্যক্তি। পরের দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক কক্ষে সহকর্মীদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করি।
লেখক: তানজিলুর রহমান সহকারী শিক্ষক ৯৪নং ঝিলটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর


























