ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোনো গোঁজামিলের ভোট হবে না, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 240

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এবার কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না এবং এই ভোট ও গণভোটকে যেকোনো মূল্যে সফল করতে হবে।

জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠক:

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

কঠোর নিরাপত্তা ও সিসি ক্যামেরা:

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কারিগরি প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। যেসব কেন্দ্রে ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু সরাসরি মনিটর করা হবে এবং ফুটেজ রেকর্ড করা থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”

গণভোট ও আইনি ব্যাখ্যা:

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত এই সরকারের দায়িত্বই হলো সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।

অভিযোগের জন্য হটলাইন:

নির্বাচনকালীন যেকোনো অভিযোগ বা বিরোধ নিরসনের জন্য একটি বিশেষ ‘হটলাইন’ নম্বর চালু থাকবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জয়-পরাজয় যাই হোক, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বৈঠকে জামায়াত নেতাদের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কোনো গোঁজামিলের ভোট হবে না, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এবার কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না এবং এই ভোট ও গণভোটকে যেকোনো মূল্যে সফল করতে হবে।

জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠক:

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

কঠোর নিরাপত্তা ও সিসি ক্যামেরা:

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কারিগরি প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। যেসব কেন্দ্রে ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু সরাসরি মনিটর করা হবে এবং ফুটেজ রেকর্ড করা থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”

গণভোট ও আইনি ব্যাখ্যা:

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত এই সরকারের দায়িত্বই হলো সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।

অভিযোগের জন্য হটলাইন:

নির্বাচনকালীন যেকোনো অভিযোগ বা বিরোধ নিরসনের জন্য একটি বিশেষ ‘হটলাইন’ নম্বর চালু থাকবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জয়-পরাজয় যাই হোক, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বৈঠকে জামায়াত নেতাদের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।