ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে জনপ্রতিনিধিই দালাল: ওসির নাম ব্যবহার করে ২০ হাজার টাকা ঘুষ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 545

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় আটক আসামিকে ছাড়িয়ে আনার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সেলিম সিকদার-এর বিরুদ্ধে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান-এর নাম ব্যবহার করে ২০ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ করেছেন এক আসামির পরিবার।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ও ওসির মন্তব্য

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মধুখালী থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত এক ব্যক্তির ভাতিজা অভিযোগ করে বলেন, তার চাচাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনার কথা বলে মেম্বার সেলিম সিকদার ২০ হাজার টাকা নেন। সেলিম মেম্বার দাবি করেন, তিনি ওসির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করেছেন।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ওসি এস এম নুরুজ্জামান বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কেউ তার নাম ব্যবহার করে টাকা আদায় করলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তিনি এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন। ওসি আরও জানান, তিনি কোনো প্রকার ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত নন।

এ বিষয়ে সেলিম সিকদারের কাছে জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হয়েছে তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

এ ঘটনাকে স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্নীতির একটি জঘন্য উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, একজন জনপ্রতিনিধি কীভাবে এমন অবৈধ লেনদেনে জড়াতে পারেন। ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, তারা এখন আইনের আশ্রয় নিতে চায়। স্থানীয় সচেতন মহল এই বিষয়ে দ্রুত তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, মধুখালী থানার ওসি এস এম নুরুজ্জামান তার দায়িত্বে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন এবং তার নেতৃত্বে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো বলে স্থানীয় মহল মনে করে। তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে এই ধরনের আচরণ অপ্রত্যাশিত।

ফরিদপুরে জনপ্রতিনিধিই দালাল: ওসির নাম ব্যবহার করে ২০ হাজার টাকা ঘুষ

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় আটক আসামিকে ছাড়িয়ে আনার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সেলিম সিকদার-এর বিরুদ্ধে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান-এর নাম ব্যবহার করে ২০ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ করেছেন এক আসামির পরিবার।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ও ওসির মন্তব্য

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মধুখালী থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত এক ব্যক্তির ভাতিজা অভিযোগ করে বলেন, তার চাচাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনার কথা বলে মেম্বার সেলিম সিকদার ২০ হাজার টাকা নেন। সেলিম মেম্বার দাবি করেন, তিনি ওসির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করেছেন।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ওসি এস এম নুরুজ্জামান বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কেউ তার নাম ব্যবহার করে টাকা আদায় করলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তিনি এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন। ওসি আরও জানান, তিনি কোনো প্রকার ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত নন।

এ বিষয়ে সেলিম সিকদারের কাছে জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হয়েছে তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

এ ঘটনাকে স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্নীতির একটি জঘন্য উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, একজন জনপ্রতিনিধি কীভাবে এমন অবৈধ লেনদেনে জড়াতে পারেন। ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, তারা এখন আইনের আশ্রয় নিতে চায়। স্থানীয় সচেতন মহল এই বিষয়ে দ্রুত তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, মধুখালী থানার ওসি এস এম নুরুজ্জামান তার দায়িত্বে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন এবং তার নেতৃত্বে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো বলে স্থানীয় মহল মনে করে। তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে এই ধরনের আচরণ অপ্রত্যাশিত।