ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর ফাঁকা বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: সোনা, রুপা ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা লুট

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 567

ফরিদপুর শহরের কুঠিবাড়ি কমলাপুর কাজী মোতাহার হোসেন সড়কে অবস্থিত একটি ভাড়া বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়ির ভাড়াটিয়ারা সপরিবারে দাওয়াতে যাওয়ায় ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় চোরেরা। চোরেরা টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দুই ভরি স্বর্ণের গহনা, পাঁচ ভরি রুপা এবং নগদ সাড়ে চার লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী দম্পতি সুমন মিয়া (পেশায় লন্ড্রি দোকানদার) ও তাঁর স্ত্রী সাথীসহ সাথীর বাবা সবুজ মিয়া শুক্রবার সালথায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। শনিবার বাড়ি ফিরে তাঁরা এই অবস্থা দেখতে পান।

চুরির বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি

ঘটনার সময়: শুক্রবার এক রাত ধরে বাড়িটি ফাঁকা ছিল।

চুরির কৌশল: বাড়ির টিনের বেড়া কেটে চোরেরা বসতঘরে প্রবেশ করে।

ক্ষয়ক্ষতি:

নগদ অর্থ: ৪.৫ লক্ষ টাকা

স্বর্ণালংকার: ২ ভরি

রুপা: ৫ ভরি

অন্যান্য: সুমন মিয়ার স্ত্রী সাথী জানান, তাঁদের সাজগোজের জিনিসপত্র এবং তাঁর স্বামীর একজোড়া নতুন জুতাও চোরেরা নিয়ে গেছে।

বাড়ির মালিক ও পুলিশের বক্তব্য

বাড়ির মালিক তাজু বিশ্বাস খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, “প্রথমত ঘরের মধ্যে এত টাকা পয়সা রাখা ঠিক না, দ্বিতীয়ত এত টাকা পয়সা রেখে বেড়াতে চলে যাওয়া বোকামি।”

এদিকে, খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ শনিবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে:

“আমরা খবর পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি, কিন্তু আমরা এখন অবধি কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমরা লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেব।”

সমাজসেবক ও জামায়াত নেতার উদ্বেগ

তরুণ সমাজসেবক ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট রেজাউল হোসেন শামীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

উদ্বেগ: তিনি বলেন, “হঠাৎ করেই শহরে চুরি, ছিনতাই এবং অপরাধ বেড়ে গিয়েছে। এর অন্যতম কারণ মাদক খুব সহজলভ্য হয়ে গেছে।”

দাবি: তিনি যুবসমাজকে সচেতন করার গুরুত্ব দেন এবং প্রশাসনকে অনুরোধ করেন যেন এই পরিবারটি একটি ন্যায্য বিচার পায়।

ফরিদপুর ফাঁকা বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: সোনা, রুপা ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা লুট

আপডেট সময় : ১২:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর শহরের কুঠিবাড়ি কমলাপুর কাজী মোতাহার হোসেন সড়কে অবস্থিত একটি ভাড়া বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাড়ির ভাড়াটিয়ারা সপরিবারে দাওয়াতে যাওয়ায় ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় চোরেরা। চোরেরা টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দুই ভরি স্বর্ণের গহনা, পাঁচ ভরি রুপা এবং নগদ সাড়ে চার লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী দম্পতি সুমন মিয়া (পেশায় লন্ড্রি দোকানদার) ও তাঁর স্ত্রী সাথীসহ সাথীর বাবা সবুজ মিয়া শুক্রবার সালথায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। শনিবার বাড়ি ফিরে তাঁরা এই অবস্থা দেখতে পান।

চুরির বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি

ঘটনার সময়: শুক্রবার এক রাত ধরে বাড়িটি ফাঁকা ছিল।

চুরির কৌশল: বাড়ির টিনের বেড়া কেটে চোরেরা বসতঘরে প্রবেশ করে।

ক্ষয়ক্ষতি:

নগদ অর্থ: ৪.৫ লক্ষ টাকা

স্বর্ণালংকার: ২ ভরি

রুপা: ৫ ভরি

অন্যান্য: সুমন মিয়ার স্ত্রী সাথী জানান, তাঁদের সাজগোজের জিনিসপত্র এবং তাঁর স্বামীর একজোড়া নতুন জুতাও চোরেরা নিয়ে গেছে।

বাড়ির মালিক ও পুলিশের বক্তব্য

বাড়ির মালিক তাজু বিশ্বাস খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, “প্রথমত ঘরের মধ্যে এত টাকা পয়সা রাখা ঠিক না, দ্বিতীয়ত এত টাকা পয়সা রেখে বেড়াতে চলে যাওয়া বোকামি।”

এদিকে, খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ শনিবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে:

“আমরা খবর পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি, কিন্তু আমরা এখন অবধি কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমরা লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেব।”

সমাজসেবক ও জামায়াত নেতার উদ্বেগ

তরুণ সমাজসেবক ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট রেজাউল হোসেন শামীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

উদ্বেগ: তিনি বলেন, “হঠাৎ করেই শহরে চুরি, ছিনতাই এবং অপরাধ বেড়ে গিয়েছে। এর অন্যতম কারণ মাদক খুব সহজলভ্য হয়ে গেছে।”

দাবি: তিনি যুবসমাজকে সচেতন করার গুরুত্ব দেন এবং প্রশাসনকে অনুরোধ করেন যেন এই পরিবারটি একটি ন্যায্য বিচার পায়।