ফরিদপুরে হারানো এক মোবাইল: ঘিরে আছে রহস্যের জালের উপর জাল
- আপডেট সময় : ১২:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
- / 548
এক নারীর অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেওয়াসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন ফরিদপুরের সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা মুন্সি আকতার হোসেন। তিনি বলেন, তার হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার ও পাওনা টাকা আদায় করতে গেলে ওই নারী তার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ শুরু করেন।
আজ রোববার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব কথা বলেন। মুন্সি আকতার হোসেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার একজন বাসিন্দা।
অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগ
এর আগে গত ১৯ আগস্ট ওই নারী একটি সংবাদ সম্মেলন করে মুন্সি আকতার হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। তার অভিযোগ ছিল, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মুন্সি আকতার হোসেন তার সঙ্গে একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং কৌশলে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ধারণ করেছেন। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সেইসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ তাকে চাকরিচ্যুত করা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্ছেদ করা এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও করেন ওই নারী।
তবে মুন্সি আকতার হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে ওই নারীর সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত’ বলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, ওই নারী তাদের আত্মীয় এবং আর্থিক অসচ্ছলতার অজুহাতে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা নিয়েছেন।
মোবাইল হারানো এবং তার জেরে ষড়যন্ত্র
সংবাদ সম্মেলনে মুন্সি আকতার হোসেন দাবি করেন, গত ৯ জুলাই তিনি ঢাকা থেকে একটি মোবাইল হারানোর বিষয়ে আদাবর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ওই নারীর কাছে তার হারানো মোবাইল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
তিনি বলেন, এই বিষয়টি জানতে পেরেই ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে এবং মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি আরও বলেন, অনিয়মের কারণে ওই নারীকে তার নিজ কর্মস্থল থেকে শোকজ করা হলে তিনি উত্তরে উল্লেখ করেন যে ডিউটিতে থাকা অবস্থায় তার মোবাইলটি হারিয়ে যায় এবং তাতে থাকা স্বামীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি কে বা কারা ছড়িয়ে দিয়েছে।
মুন্সি আকতার হোসেন বলেন, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাওনা টাকা পরিশোধ না করার জন্য এবং নিজের হারানো মোবাইলটি লুকিয়ে রাখার বিষয়টি আড়াল করার জন্যই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।





















