ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের বড় চালান :ফরিদপুরে ৭৯০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 504

মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের অভিযোগে মো. হারুন রশীদ (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তার কাছ থেকে ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ভাঙ্গা-বরিশাল কাউন্টারের পশ্চিম পাশে পাকা সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিখুঁত অভিযান

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ টিম বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় টেকনাফ-কক্সবাজার রুট দিয়ে আসা সন্দেহভাজন বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়।

পরবর্তীতে তল্লাশির একপর্যায়ে হারুন রশীদকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়। তাঁর দেহ তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত হারুন রশীদ কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার ইউনুছের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তাঁর প্রয়াত বাবা সিদ্দিক মিয়া এবং মা রেনুয়ারা বেগম দুজনেই মৃত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হারুন স্বীকার করেছেন যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছেন।

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি

ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিরিন আক্তার এই সফল অভিযানের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, “মাদক সরবরাহ ও পাচারের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমাদের নিয়মিত ও কঠোর অভিযান চলছে। তারই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ হারুনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজারের বড় চালান :ফরিদপুরে ৭৯০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের অভিযোগে মো. হারুন রশীদ (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তার কাছ থেকে ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ভাঙ্গা-বরিশাল কাউন্টারের পশ্চিম পাশে পাকা সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিখুঁত অভিযান

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ টিম বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় টেকনাফ-কক্সবাজার রুট দিয়ে আসা সন্দেহভাজন বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়।

পরবর্তীতে তল্লাশির একপর্যায়ে হারুন রশীদকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়। তাঁর দেহ তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ৭ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত হারুন রশীদ কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার ইউনুছের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তাঁর প্রয়াত বাবা সিদ্দিক মিয়া এবং মা রেনুয়ারা বেগম দুজনেই মৃত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হারুন স্বীকার করেছেন যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছেন।

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি

ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শিরিন আক্তার এই সফল অভিযানের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, “মাদক সরবরাহ ও পাচারের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমাদের নিয়মিত ও কঠোর অভিযান চলছে। তারই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ হারুনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।